সিকৃবিতে বিনোদন সংঘের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন বিনোদন সংঘের নতুন ২১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি ও পলিসি বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন আহম্মদ। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ মঈনুল হাসান সাদিক।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অ. দা.) অধ্যাপক ড. মোঃ আসাদ-উদ-দৌলার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পত্র জারির তারিখ থেকে পরবর্তী দুই (০২) বছরের জন্য বিনোদন সংঘের কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদিত থাকবে। শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও সুশৃঙ্খল ও গতিশীল করতে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের প্রফেসর ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ভেটেরিনারি, এনিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের শিক্ষার্থী রাবেয়া ফেরদৌস মিমি (যুগ্ম সম্পাদক-১) এবং নির্ঝর রায় (যুগ্ম সম্পাদক-২)।
এছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন কৃষিতত্ত্ব ও হাওর কৃষি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন, জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ ফেরদৌস আহমদ, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ্ আল মামুন, কৃষি অর্থনীতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের আল মেহেদী, মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের সুমাইয়া ইসলাম সূচনা এবং অন্তর দাস।
নবনির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ড. জসিম উদ্দিন আহম্মদ বলেন, “বিনোদন সংঘ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন। এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য সম্মানের। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনটি সৃজনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে ভূমিকা রেখে আসছে। ভবিষ্যতে বিনোদন সংঘকে আরও সক্রিয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই।”
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঈনুল হাসান সাদিক বলেন, “বিনোদন সংঘের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি গর্বিত। সংগঠনের সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত করতে আমরা নতুন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাব। এ দায়িত্ব দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সবার সহযোগিতায় বিনোদন সংঘকে আরও এগিয়ে নেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছি।”