• সিলেট, দুপুর ২:৫৭, ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রতীকে ঐক্যবদ্ধ সিলেট বিএনপি

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
প্রতীকে ঐক্যবদ্ধ সিলেট বিএনপি

Manual5 Ad Code

প্রতীকে ঐক্যবদ্ধ সিলেট বিএনপি

অনলাইন ডেস্ক

মনোনয়ন নিয়ে সিলেট বিএনপিতে ছিল বিশৃঙ্খল অবস্থা। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পর মনোনয়নবঞ্চিত অনেকেই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামেননি। মান-অভিমান নিয়ে কেউ গুটিয়ে রাখেন নিজেকে, আবার কেউ সিদ্ধান্ত না মেনে ছিলেন মাঠে। দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামা থেকে বিরত ছিলেন মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের অনুসারীরাও। কিন্তু দলীয় কঠোর নির্দেশনায় প্রতীক বরাদ্দের পর ঐক্য ফিরেছে বিএনপিতে। দূরত্ব ঘুচিয়ে দলীয় প্রতীক বিজয়ী করতে একাট্টা হয়ে এবার মাঠে নেমেছেন তাঁরা।

দলের সিদ্ধান্ত অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ‘ম্যাসেজ’ দিয়ে গেছেন তারেক রহমান- এমনটা জানিয়েছেন সিলেটের ৬টি সংসদীয় আসনে বিএনপির নির্বাচনী সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ ও ২ ছাড়া অন্য সকল আসনে বিএনপির একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। সিলেট-৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পান যুক্তরাজ্য বিএনপির তৎকালীন সভাপতি মো. আবদুল মালিক। আবদুল মালিককে দলীয় প্রার্থী ঘোষনা করা হলেও শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পরিবর্তনের আশায় মাঠে ছিলেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আবদুস সালাম ও জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী।

Manual5 Ad Code

সিলেট-৪ আসনে দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী প্রার্থী ঘোষনার পর তাকে চ্যালেঞ্জ করে মাঠে ছিলেন জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আবদুল হাকিম চৌধুরী।

 

সিলেট-৫ আসনটি বিএনপি ছেড়ে দেয় জোটের শরীক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে। ওই আসনে বিএনপির অর্ধডজন মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকলেও কেবলমাত্র জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদ (চাকসু মামুন) জোটের প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ করে মাঠে থাকেন।

Manual2 Ad Code

সবচেয়ে জটিল অবস্থা ছিল সিলেট-৬ আসনে। আসনটিতে দুইজন নারীসহ অন্তত ৯ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। এ আসনে প্রথমে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীকে ও পরে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে একাদশ সংসদে ধানের শীষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এক লাখের বেশি ভোট পাওয়া ফয়সল আহমদ চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। দুই নেতার পাল্টাপাল্টি শোডাউনে বিভক্ত হয়ে পড়েন দলের নেতা-কর্মীরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চুড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে দল বেছে নেয় এমরান আহমদ চৌধুরীকে।

এদিকে, একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশী থাকায় জেলার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৪টিতে বিভক্ত হয়ে পড়েন নেতা-কর্মীরা। কিন্তু গত ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর সেই দূরত্ব আর অনৈক্য ঘুচে যায়। বিভেদ ভুলে মনোনয়নবঞ্চিতরা একাট্টা হয়ে যান ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে। প্রতীক পেয়েই সাংবাদিক সম্মেলন ডাকেন সিলেট-৬ আসনের ধানের শীষের কান্ডারি এমরান চৌধুরী। ওই সম্মেলনে মনোনয়নবঞ্চিত সকল নেতা উপস্থিত হয়ে ধানের শীষের পক্ষে তাদের অবস্থান পরিস্কার করেন।

 

একইভাবে সিলেট-৫ ছাড়া বাকি সকল আসনে বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিভেদ ভুলে এক কাতারে দলীয় প্রতীকের পক্ষে প্রচারনায় নামেন। গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচরণা শুরু ও ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করার আহ্বানের পর গুটিয়ে থাকা নেতাকর্মীরাও সরব হয়েছেন। তবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সিলেট-৫ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জেলা বিএনপির বহিস্কৃত সহসভাপতি মামুনুর রশিদ। তার পক্ষে দলের একাংশের নেতাকর্মী কাজ করছেন। তবে, দলের নেতারা মনে করছেন, যারা এখনো জোটের প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে বিদ্রোহীর পক্ষে আছেন তারা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করবেন।

Manual4 Ad Code

এ প্রসঙ্গে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলার সবকটি আসনের নির্বাচনী সমন্বয়ক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ধানের শীষের পক্ষে সিলেট বিএনপির নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। সিলেট-৫ আসনেও সকল নেতা-কর্মী দলের সিদ্ধান্ত মেনে জোটের শরীক প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নামবেন বলে আমরা আশাবাদী। সিলেট সফরকালে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ম্যাসেজ দিয়ে গেছেন, কেউ দলীয় সিদ্ধান্ত না মানলে তাকে কঠোর সাংগঠনিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

Manual1 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com