• সিলেট, বিকাল ৩:৫৩, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কানাডায় এমপি মনোনয়ন পেলেন সিলেটের ডলি

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬
কানাডায় এমপি মনোনয়ন পেলেন সিলেটের ডলি

Manual7 Ad Code

কানাডায় এমপি মনোনয়ন পেলেন সিলেটের ডলি

Manual7 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual1 Ad Code

কানাডায় সংসদ সদস্য (এমপি) মনোনয়ন পেলেন সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারে জন্মগ্রহণকারী ডলি বেগম। তিনি কানাডার টরন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনের দেশটির ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

দীর্ঘদিনের লিবারেল দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই আসনটি সাবেক মন্ত্রী বিল ব্লেয়ারের বিদায়ের পর শূন্য হয়েছিল।

Manual2 Ad Code

ডলি বেগমের বাড়ি সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজারের মনু নদের পাড়ে। বাবা রাজা মিয়া এবং মা জবা বেগমের হাত ধরে মাত্র ১২ বছর বয়সে তিনি পাড়ি জমান কানাডায়। টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করে তিনি লন্ডনের বিশ্বখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল) থেকে উন্নয়ন প্রশাসন ও পরিকল্পনায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

Manual5 Ad Code

কানাডার স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে লিবারেল পার্টি অব কানাডার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, স্কারবরো সাউথওয়েস্ট আসনের আসন্ন ফেডারেল উপ-নির্বাচনে ডলি বেগম প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেল দলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

কানাডার আইনসভায় নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপিপি হিসেবে ডলি বেগম ২০১৮ সাল থেকে স্কারবরো সাউথওয়েস্টের প্রাদেশিক এমপিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

কুইন্স পার্কে ডলি বেগম কেবল একজন আইনপ্রণেতাই ছিলেন না, বরং অন্টারিও এনডিপির ডেপুটি লিডার এবং বিরোধী দলের একজন শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। পরপর তিনবার বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়ে মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই পান তিনি।

লিবারেল পার্টি অব কানাডার প্রেসিডেন্ট সাচিত মেহরা তার বিবৃতিতে বলেন, “ডলি বেগমের জনসেবার রেকর্ড অতুলনীয়। তিনি কেবল একজন দক্ষ রাজনীতিক নন, বরং সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার মূর্ত প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নতুন টিমে ডলি বেগমের মতো নেতৃত্বের সংযুক্তি কানাডাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”

ডলি বেগম তার আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে লিবারেল দলে যোগ দেওয়ার কারণ হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, “আমি গত সাত বছর ধরে স্কারবরো সাউথ-ওয়েস্টের মানুষের জন্য লড়াই করেছি। তবে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমার মনে হয়েছে, আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ার জন্য কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কাজ করা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বে আমি সেই লক্ষ্য অর্জন করতে চাই।”

তিনি জানান, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা এবং কানাডাকে একটি ঐক্যবদ্ধ ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ নিতে তিনি প্রস্তুত।

টরোন্টো প্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব দেলোয়ার এলাহী বলেন, লিবারেল পার্টি ও প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই সিদ্ধান্তে আবারও প্রমাণিত হয়, দল নয়, ব্যক্তির সততা, কর্মদক্ষতা, জনসংযোগ ও কানাডার বহুজাতিক, বহুবর্ণ ও বহুধর্মের মানুষের দেশ কানাডার সমতার রাষ্ট্রীয় দর্শন ধারণ ও চর্চাকারী রাজনীতির মানুষ মূলত কানাডার যেকোনও দলের আরাধ্য। ডলি বেগম যে এক্ষেত্রে সর্বাগ্রগণ্য গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন, তা বারবার প্রমাণিত। ডলি বেগমকে নিজ দলে টেনে মার্ক কার্নিই জয়ী হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কানাডার প্রাদেশিক রাজনীতি থেকে ফেডারেল বা কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে ডলি বেগমের পদার্পণ তার ক্যারিয়ারে ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। পাশাপাশি রাজনীতিতে তার এই সাফল্য বাংলাদেশিদের বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশটির মূলধারার রাজনীতিতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

সূত্র: সিবিসি, লিবারেল পার্টি, টাইমস কলোনিস্ট

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com