• সিলেট, বিকাল ৩:০১, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

অবসরে গেলেন নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সুশিলা কার্কি

admin
প্রকাশিত মার্চ ২৭, ২০২৬
অবসরে গেলেন নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সুশিলা কার্কি

Manual1 Ad Code

অবসরে গেলেন নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সুশিলা কার্কি

Manual8 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

 

নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশিলা কার্কি অবসর ভেঙে দেশের সবচেয়ে কঠিন দায়িত্ব নিয়েছিলেন। দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে সরকার পতনের পর তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। দায়িত্ব পালন শেষে আবারও অবসরে ফিরে গেলেন তিনি।

৭৩ বছর বয়সী কার্কি সংকটময় সময়ে দেশের হাল ধরার জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। ২০০৬ সালে গৃহযুদ্ধের অবসানের পর এটি ছিল দেশটির এক অস্থির সময়।

Manual7 Ad Code

বিদায়ী ভাষণে তিনি বলেন, ‘এই দায়িত্ব নেওয়ার সময় আমি ভয় ও অনিশ্চয়তায় ডুবে ছিলাম।’

Manual2 Ad Code

কার্কি বলেন, ‘তবে আমি বিশ্বাস নিয়ে এসেছিলাম-সংকটের সময় অন্তত আশা জাগাতে পারব।’

তিনি এমন এক দেশের নেতৃত্ব দেন, যা তখন গভীরভাবে বিভক্ত ছিল। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি যখন দায়িত্ব নেন, তখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল।

Manual1 Ad Code

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের সহিংসতায় সংসদসহ বহু সরকারি ভবন পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে ৭৭ জন নিহত হন।

কার্কি বারবার বলেন, তিনি কখনো এই দায়িত্ব চাননি। জেন জি প্রজন্মের নেতৃত্বে শুরু হওয়া বিক্ষোভের কর্মীরা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ডিসকর্ডের মাধ্যমে তার নাম প্রস্তাব করে। শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচিত হন। নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।

বৃহস্পতিবার রাতে তিনি বলেন, ‘পরিবর্তনের জন্য কাজ করা তরুণ প্রজন্মের অনুরোধে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে আমি এই দায়িত্ব গ্রহণ করি।’

তিনি আরো বলেন, ‘এখন কিছুটা সন্তুষ্টি ও অনেক আশা নিয়ে বিদায় চাইছি।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম কাজগুলোর একটি ছিল সহিংসতা তদন্তে কমিশন গঠন। কমিশন তার পূর্বসূরি চারবারের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলিকে বিচারের আওতায় আনার সুপারিশ করেছে।

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া ৩৫ বছর বয়সী র‌্যাপার বালেন্দ্র শাহ ৫ মার্চ ভোট দেওয়ার পর কার্কির একটি ছবি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘আপনার নেতৃত্বে গণতন্ত্র জয়ী হয়েছে।’

১৯৫২ সালে পূর্ব নেপালের শিল্পশহর বিরাটনগরে জন্ম কার্কির। ভারতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও কাঠমাণ্ডুতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

১৯৭৯ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। এ সময়ে নারীদের জন্য আইন পেশায় প্রবেশ ছিল বিরল। দ্রুতই নির্ভীক আইনজীবী হিসেবে সুনাম অর্জন করেন তিনি। অনেকেই এড়িয়ে যেতেন এমন মামলাও তিনি গ্রহণ করতেন।

সূত্র : এনডিটিভি

বিডি-প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com