• সিলেট, রাত ৩:৪১, ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্বে ১৮০ কোটি মানুষ লিভার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ১৪, ২০২৬
বিশ্বে ১৮০ কোটি মানুষ লিভার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা

Manual3 Ad Code

বিশ্বে ১৮০ কোটি মানুষ লিভার ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা

Manual6 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

 

Manual8 Ad Code

আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ১৮০ কোটি মানুষ মেটাবলিক লিভার ডিজিজে আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির নেপথ্যে রয়েছে ক্রমবর্ধমান স্থূলতা এবং রক্তে অতিরিক্ত শর্করার মাত্রা।

নতুন একটি গবেষণা প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এ তথ্য জানিয়েছে।

Manual6 Ad Code

গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজেস, ইনজ্যুরিস, অ্যান্ড রিস্ক ফ্যাক্টরস স্টাডি (জিবিডি) থেকে প্রাপ্ত এই গবেষণার ফলাফল ল্যানসেট গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি অ্যান্ড হেপাটোলজি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণা অনুসারে, মেটাবলিক ডিসফাংশন-অ্যাসোসিয়েটেড স্টিয়াটোটিক লিভার ডিজিজ (এমএএসএলডি), যা আগে নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ (এনএএফএলডি) নামে পরিচিত ছিল। এটি বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে প্রচলিত এবং দ্রুত বর্ধনশীল লিভারের রোগগুলোর মধ্যে অন্যতম।

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ১৩০ কোটি মানুষ এমএএসএলডি নিয়ে জীবনযাপন করছেন। মাত্র তিন দশকে এই রোগে আক্রান্তের হার ১৪৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বে প্রতি ছয়জনের মধ্যে প্রায় একজন- অর্থাৎ ১৬ শতাংশ এই রোগে আক্রান্ত।

এই রোগের প্রাদুর্ভাব আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রধান কারণ হলো বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন, যেমন- ক্রমবর্ধমান স্থূলতা ও রক্তে উচ্চ শর্করার মাত্রা।

গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ সালে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ এমএএসএলডি নিয়ে বসবাস করছিলেন। ২০২৩ সাল নাগাদ এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩০ কোটিতে। ২০৫০ সালের মধ্যে এমএএসএলডি ১৮০ কোটি মানুষকে আক্রান্ত করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি।

Manual2 Ad Code

২০২৩ সালে বিশ্বব্যাপী এই রোগের প্রাদুর্ভাবের হার প্রতি ১ লাখে ১৪ হাজার ৪২৯ জনে দাঁড়িয়েছে, যা ১৯৯০ সালের তুলনায় ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি।

এমএএসএলডি নারীদের তুলনায় পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায় এবং ৮০ থেকে ৮৪ বছর বয়সী বয়স্কদের মধ্যে এর প্রাদুর্ভাবের হার সর্বোচ্চ। তবে, সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ কম বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রায় ৩৫ থেকে ৩৯ বছর এবং নারীদের ক্ষেত্রে ৫৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী।

বিশ্বব্যাপী এমএএসএলডি সম্পর্কিত স্বাস্থ্য সমস্যার প্রধান কারণ রক্তে শর্করার উচ্চ মাত্রা, এরপরেই রয়েছে উচ্চ বিএমআই এবং ধূমপান, যা টাইপ ২ ডায়াবেটিস এবং স্থূলতার সাথে এর শক্তিশালী সংযোগকে তুলে ধরে।

উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ কিছু অঞ্চলে অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এমএএসএলডি- এর হার অস্বাভাবিকভাবে বেশি ছিল। তবে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে এই রোগে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যায় তীব্র বৃদ্ধি ঘটেছে। সূত্র: ল্যানসেট, দ্য গার্ডিয়ান
বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com