সিলেটে ‘চো*র চক্রের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি’র পর গ্রে*প্তা*র হলেন যারা
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটে চোর ও ছিনতাইকারীদের জন্য এখন বড়ই কঠিন সময়। তাদের বিরুদ্ধে চলছে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান। এসব অভিযানে গ্রেপ্তারও হচ্ছেন অনেকে। কয়েক দিন আগে স্বঘোষিত সিলেট মোটরসাইকেল চোর সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিকে চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তারের পর আরও অন্তত দু’জনকে গ্রেপ্তার ও দুটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে সিলেট মহানগর পুলিশ।
সর্বশেষ মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকালে দক্ষিণ সুরমার বাগরখলা থেকে। ওই গ্রামের নিজাম উদ্দিন হাফিজের ছেলে মো. মাহফুজুল হাসানকে (২১) মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ গ্রেপ্তার করে। তার হেফাজত থেকে উদ্ধার করা হয় একটি নাম্বার প্লেটবিহীন মোটরসাইকেল যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা।
এ ব্যাপারে দক্ষিণ সুরমা থানায় মামলা (নং ১৭/৮০, ১৭/৪/২৬) দায়ের করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাত ১২টার দিকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের হবিবপুর থেকে কামরুল হাসান (২৬) নামের এক যুবক কে আটক করে পুলিশ। তার হেফাজত থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। ওই মোটরসাইকেলটি সেদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিলেট মহানগরীর লামাবাজার ভাতালিয়া বিথিকা-এ/৫নং বাসার সামনা থেকে চুরি হয়েছিল। মোটরসাইকেলটির মালিক মো. ইসলাফিল মিয়।
কামরুল হাসান জকিগঞ্জ থানার মমিনপুরের আব্দুল মুকিতের ছেলে। তিনি মেজরটিলা এলাকায় ভাড়াটিয়া হিসাবে থাকতেন। তার অপরাধের রেকর্ড পর্যালোচনা করে জানা গেছে, সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে মোটরসাইকেল চুরির মামলা রয়েছে।
তাকেও আদালতে সোপর্দের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেল।
এর দু’দিন আগে গত ১৩ এপ্রিল সিলেটের মোগলাবাজার থানার গোটাটিকরের শহীদ তালুকদারের ছেলে কয়েছ আহমদ তালুকদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করে সিলেট মহানগর পুলিশ। তিনি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে নিজেকে ‘সিলেট বিভাগীয় মোটরসাইকেল চোর চক্রের’ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বলে দাবি করেন।
পরে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী জৈন্তাপুর থেকে ওই থানার যশপুর থেকে হাছন আলীর ছেলে আকাশ আহমদকেও (২৪) গ্রেপ্তার করা হয়। আকাশ চোরাই মোটরসাইকেল বেঁচা-কেনার সাথে জড়িত।
সিলেটভিউ২৪ডটকম