স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখায় ‘চেয়ারম্যান স্কলারশিপ’ প্রদান
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্কলার্সহোম শিবগঞ্জ শাখায় অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, সুশোভিত ও আনন্দঘন পরিবেশে ‘চেয়ারম্যান স্কলারশিপ’ প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও প্রশাসনিক প্রজ্ঞায় পুরো আয়োজনটি সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর জয়নুল আবেদিন চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোকমান উদ্দীন চৌধুরী, সেক্রেটারি, হাফিজ মজুমদার ট্রাস্ট, মেজর নাজিম মজুমদার, ট্রাস্টি, মোঃ কমর উদ্দিন কামু, ট্রাস্টি, হাফিজ মজুমদার ট্রাস্ট।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষ শানিজ ফাতেমা ইব্রাহিম, সমন্বয়ক শর্মিলী রায়, শিক্ষিকাবৃন্দ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মিস শারমিন সুলতানা।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিল “চেয়ারম্যান স্কলারশিপ” প্রদান, যা অর্জন করে মেধাবী শিক্ষার্থী আদিনা আরিফ মমতাজ।
তার এই অসাধারণ সাফল্যে উপস্থিত সবার মাঝে আনন্দ ও গর্বের সঞ্চার হয় এবং এটি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিভাত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শামছ উদ্দিন স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষের পাশাপাশি নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরবর্তীতে বহুল প্রতীক্ষিত মুহূর্তে আদিনার হাতে স্কলারশিপ সনদ তুলে দেন প্রফেসর জয়নুল আবেদীন চৌধুরী, একাডেমিক কোঅর্ডিনেটর স্কলার্সহোম।এ সময় শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও আনন্দে পুরো পরিবেশ মুখরিত হয়ে ওঠে।
পরে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা ও সামাজিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। এরপর কৃতী শিক্ষার্থী আদিনা তার অনুভূতি ব্যক্ত করে উপস্থিত সকলকে অনুপ্রাণিত করে।
একই সঙ্গে তার অভিভাবক জিনিয়া সুলতানা সন্তানের এই অর্জনে আনন্দ প্রকাশ করে বক্তব্য প্রদান করেন এবং বিদ্যালয়ের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও শৃঙ্খলাবোধের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং ভবিষ্যতে বৃহত্তর সাফল্যের পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করে।
সার্বিকভাবে, এই আয়োজনটি কেবল আদিনার সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়াই নয়, বরং অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও নতুন উদ্দীপনা, অনুপ্রেরণা ও উৎকর্ষ সাধনের আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।