• সিলেট, রাত ৮:৫৯, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটে তিন ইস্যুতে কঠোর অ্যাকশনে নেমেছে প্রশাসন

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ২১, ২০২৫
সিলেটে তিন ইস্যুতে কঠোর অ্যাকশনে নেমেছে প্রশাসন

Manual2 Ad Code

সজল আহমেদ

সিলেট নগরীকে সুশৃঙ্খলা ও যানজটমুক্ত করতে জোটবদ্ধ হয়েছে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সিটি করপোরেশন। সড়ক ও ফুটপাত হকারমুক্ত, ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধ ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কঠোর অ্যাকশনে নেমেছে প্রশাসন। প্রতিদিনই চলছে সাঁড়াশি অভিযান।

Manual1 Ad Code

রবিবার থেকে ঘোষণা দিয়ে শুরু হয়েছে হকার উচ্ছেদ অভিযান। প্রশাসনের কঠোরতায় নগরীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরার পাশাপাশি বাড়ছে সৌন্দর্য্যও।

সিলেট নগরীর সড়ক থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশা সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন ও মেট্রোপলিটন পুলিশ ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল। সরকারি জায়গায় কোন অবৈধ স্থাপনা থাকবে না বলেও আগাম ঘোষণা দিয়ে রেখেছিল জেলা প্রশাসন। আর সড়ক ও ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদে নেওয়া হয়েছিল কিছু সময়।

Manual4 Ad Code

গত মাসের শুরুর দিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, লালদিঘী মাঠে অস্থায়ী মার্কেট তৈরি করে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করার পর শুরু হবে হকার উচ্ছেদ। গেল প্রায় এক মাসে সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসন মিলে হকার পুনর্বাসনের জন্য প্রস্তুত করা হয় লালদিঘী মাঠ।

এরপর সড়ক ও ফুটপাত থেকে হকাররা স্বেচ্ছায় সরে যেতে সময় বেঁধে দেওয়া হয় ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় ও প্রশাসনের কঠোর মনোভাবের কারণে ইতোমধ্যে অনেক হকার চলে গেছেন লালদিঘী অস্থায়ী মার্কেটে। আর পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার থেকে অভিযানে নামে প্রশাসন।

রবিবার বিকেল ৪টার দিকে নগরীর ৭টি পয়েন্টে ৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে শুরু হয় অভিযান। অভিযানকালে হকার উচ্ছেদের পাশাপাশি বিভিন্ন দোকানপাটের সামনে রাখা সাইনবোর্ড ও জিনিসপত্রও উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানকে কেন্দ্র করে নগরীতে মোতায়েন করা হয় প্রায় আড়াইশ’ পুলিশ। অভিযানের পর সিলেট নগরীর কোথাও ফুটপাতে হকারদের বসতে দেখা যায়নি।

এদিকে, গত ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হয় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান। সিলেট রেলওয়ে স্টেশন থেকে এ অভিযান শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে নির্মিত সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ঘোষণা দেয় জেলা প্রশাসন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম গণমাধ্যমকে জানান, হকারদের তাদের নির্ধারিত স্থানে চলে যেতে হবে। কোন ব্যবসায়ী তার দোকানের সামনে হকার বসতে দিলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, পুলিশের অভিযানের পর সিলেটের সড়কে কমে এসেছে ব্যাটারিচালিত অবৈধ রিকশা চলাচল। বিশেষ করে প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে খুব কমই দেখা যায় ব্যাটারিচালিত রিকশা। পাড়া-মহল্লার ভেতর থেকে মুল সড়কে উঠলেই পুলিশ রিকশা আটক করে নিয়ে যাচ্ছে।

Manual3 Ad Code

অবৈধ রিকশা ও চার্জিং সেন্টারের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার, অতিরিক্ত উপকমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

Manual8 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com