সজল আহমেদ
চরম দুর্ভোগে পড়ছেন নগরবাসী।দিনের বেশিরভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না বলে অভিযোগ করছেন সাধারণ মানুষজন এদিকে, স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা বেশি অন্যদিকে বিদ্যুবিভ্রাট দুই মিলে নাকাল হয়ে পড়ে জনজীবন। বিভিন্ন এলাকায় তীব্র পানি সংকট দেখা দেয়। বিদ্যুতের ভোগান্তি চরমে উঠায় অনেক জায়গায় বাধ্য হয়েই সিটি করপোরেশনের থেকে পানি কিনে ব্যবহার করছেন নগরবাসী।
চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই অবস্থা বলে জানিয়েছে বিদ্যুবিভাগ। সহকারী প্রকৌশলী মো. জারজিসুর রহমান রনি জানান, চাহিদার তুলনায় অনেক কম সরবরাহ থাকায় এমনটা ঘটছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিলেট অঞ্চলে প্রতিদিনি প্রায় ১৭শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। দিনে সিলেটের চার বিভাগে বিদ্যুতের চাহিদা অর্ধেকেরও কম। কিন্তু গত তিন চারদিন ধরে জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার অর্ধেকও দেওয়া হচ্ছে না।
সহকারী প্রকৌশলী মো. জারজিসুর রহমান রনি বলেন, ‘জ্বালানি সংকটে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপন্ন হচ্ছে না বিধায় লোডশেডিং হচ্ছে।’ চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন না হওয়া পর্যন্ত এই সমস্যা থাকতে পারে বলেও তিনি জানান।
নগরের উপশহর এলাকার বাসিন্দা সুমিত, জিয়ানূরও আশরাফ বলেন, কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎ পানি পাচ্ছি না। বিদ্যুৎ থাকে না বলে পানিরও সমস্যা হচ্ছে। তাই গতকাল সোমবার সিটি করপোরেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করে গাড়ি দিয়ে পানি এনেছি। এলাকার মানুষ টাকা দিয়ে পানি কিনেছেন।
এ ছাড়াও নগরের বিভিন্ন এলাকায় পানি সংকটের খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্নজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সিটি করপোরেশনের পানির লাইনেও পানি কম। যে সময় পানির লাইন দেওয়া হয়। তখন বিদ্যুৎ থাকে না।
কেবল বাসাবাড়িতে নয় বিদ্যুৎবিভ্রাটের ফলে নগরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও এর প্রভাব পড়ছে চরমভাবে। কোথাও জেনারেটর চালিয়ে আবার কোথাও আইপিএসের ওপর ভর করে ব্যবসা পরিচালনার চেষ্টা করছেন তারা।
কুমার পাড়ার ব্যবসায়ী রহিত মিয়া বলেন, ‘গত এক সপ্তাহ ধরে ব্যবসার পরিবেশ নেই। একঘন্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে ক্রেতারা আসতে চায় না। এতে আমাদেও খুব সমস্যা হচ্ছে।