ছাতকে তিন সন্তানের জননীসহ প্রেমিক আটক অতঃপর গভীর রাতে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মুক্ত !!

প্রকাশিত: ১১:৫০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ৭, ২০২০

ছাতকে তিন সন্তানের জননীসহ প্রেমিক আটক অতঃপর গভীর রাতে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মুক্ত !!
সেলিম মাহবুব, ছতক(সুনামগঞ্জ)
ছাতকে পর পুরুষের হাত ধরে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূসহ তার লম্পট প্রেমিককে আটক করে জনতা স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে পুলিশে সোপর্দ করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে বেশ চাঞ্চল্যেকর সৃষ্টি হয়ে। পরে কোন আইনী ব্যবস্থা না নিয়েই পুলিশ ফাঁড়ি থেকে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এ নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের বারোগোপী  গ্রামে। স্থানীয় লোকজন জানান, জগন্নাথপুর উপজেলার বালিকান্দি গ্রামের বকুল মিয়ার স্ত্রী, তিন সন্তানের জননী এ গৃহবধূ গত কয়েকদিন আগে বেড়ানোর জন্য বারোগোপী গ্রামের পিত্রালয়ে আসে বেড়ানোর এক পাকে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিকান্দি গ্রামের তৈমুছ আলীর পুত্র সাইদুল ইসলামের হাত ধরে একটি সিএনজি যোগে পিত্রালয় ত্যাগ করে এ গৃহবধূ। এ সময় স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে ধাওয়া করে জটি গ্রাম এলাকা থেকে তাদের আটক করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জমির উদ্দিনের কাছে নিয়ে আসে। এখানে ইউপি সদস্য স্থানীয় লোকজনদের নিয়ে তাদের অনেক বোঝানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও বিষয়টি সমাধান দিতে না পেরে আইনী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তাদের জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হস্তান্তর করেন ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন। ফাঁড়িতে গভীর রাত পযর্ন্ত তাদের আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।  পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোন আইনী ব্যবস্থা গ্রহন না করেই গভীর রাতে তাদের ছেড়ে দেয়া হলে হতভম্ব হয়ে পড়েন স্থানীয় লোকজন। ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি তারা বাঁকা চোখে দেখছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই গৃহবধূসহ লম্পটকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন এ ব্যাপারে জানান, পালানোর সময় স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে তার কাছে নিয়ে আসে। সাইদুল ও গৃহবধূর সাথে আলাপচারিতায় বোঝা গেছে তারা অবৈধ সম্পর্কে আসক্ত। তারা একজন আরেকজনের জন্য দেওয়ানা। যা একটি সামাজিক অপরাধ বলে তিনি মনে করেন। বিষয়টি জটিল ও অপরাধমুলক হওয়ায় আইনী ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। তিনি জানান, গভীর রাতে গয়াছ মিয়া নামের এক জনৈক প্রভাবশালী ব্যক্তি তদন্ত কেন্দ্র থেকে অপরাধিদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। এখানে প্রভাব ও আর্থিক লেনদেন কাজ করেছে বলে জমির উদ্দিন মেম্বার মনে করেন। ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্থা মিয়া জানান, তিনি শুক্রবারে বিকেলে বিষয়টি জেনেছেন। এর বেশী কিছু তিনি জানেনা। এ ব্যাপারে জাহিদপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই দিদার জানান, বিষয়টি ছিল পারিবারিক কলহজনিত ঘটনা। গৃহবধূর পারিবারিকভাবেই পরিচিত ছিল সাইদুল। ভুল বোঝাবুঝির কারনে এ ঘটনা ঘটেছে। রাতেই স্বামীর কাছে গৃহবধূকে তুলে দেয়া হয়েছে।##

সংবাদ অনুসন্ধান ক্যালেন্ডার

MonTueWedThuFriSatSun
15161718192021
22232425262728
2930     
       
  12345
2728     
       
28      
       
       
       
1234567
2930     
       

আমাদের ফেইসবুক পেইজ