সিলেটে খু*ন হওয়া সাত্তার-সুরাইয়ার বাসায় মন্ত্রী মুক্তাদির- আরিফ
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেটে খুন হওয়া আব্দুস সাত্তার (৮২) ও সুরাইয়া বেগমের (৭৬) বাসায় গিয়েছিলেন সিলেটের দুই মন্ত্রী। এ সময় তারা খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর আশ্বাস দেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও দুপুরের দিকে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী রায়নগর রাজবাড়ী মিতালি ১১১ নম্বর বাসার উপস্থিত হন। এসময় তাদের সাত্তার-সুরাইয়ার স্বজন ও স্থানীয় সচেতন মহল তাদের স্বাগত জানান।
সকালে বাণিজ্য পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সিলেট-১ আসনের সাংসদ খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির নিহত দম্পতির বাসারয় পৌঁছান। তিনি সেখানে কিছু সময় অবস্থান করেন এবং সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতির তিন সন্তানসহ স্বজনদের সান্তনা জানান।
তিনি খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও আইনের মুখোমুখী দাঁড় করানোর আশ্বাস দিয়েছেন। বলেছেন, ন্যায় বিচারের স্বার্থেই অবিলম্বে অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা জরুরী। শান্তি ও সম্প্রীতির এই নগরীতে এরকম ঘটনা যাতে আর না ঘাটে তাও নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী মুক্তাদির নিহত সাত্তার- সুরাইয়া দম্পতির প্রবাস ফেরত ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে একান্তে আলাপ করেন এবং তাদের সান্তনা দেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।
এরপর দুপুরের দিকে প্রবাসী কল্যাণ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও শ্রমমন্ত্রী এবং সিলেট-৪ আসনের সাংসদ আরিফুল হক চৌধুরী ওই বাসায় পৌঁছান।
তিনি সাত্তার- সুরাইয়া দম্পতির সন্তানদের সাথে একান্তে আলাপ করেন এবং শোক ও সমবেদনা জানান। এ সময় আরিফুল হক চৌধুরী দ্রুত অপরাধীদের গ্রেপ্তার এবং বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানোর আশ্বাস দেন।
তিনি বলেন, শান্তির এই নগরীতে এরকম নৃশংস ঘটনা খুব কম ঘঠেছে। এ ঘটনায় পুরো সিলেটবাসী দুঃখিত, ব্যথিত উল্লেখ করে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এর সঙ্গে যারা জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনতে হবে। এমনকি, নেপথ্যে কোনো কুশিলব থেকে থাকলে তাকেও কোনো ছাড় দেওয়া হবেনা।
তিনি দ্রুত মামলাটি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তার সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দেন।