• সিলেট, সকাল ১০:০৮, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে প্রতারণা, র‌্যাবের হাতে গ্রে ফ তা র ১

admin
প্রকাশিত আগস্ট ১৭, ২০২৬
যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে প্রতারণা, র‌্যাবের হাতে গ্রে ফ তা র ১

Manual1 Ad Code

যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে প্রতারণা, র‌্যাবের হাতে গ্রে ফ তা র ১

নিজস্ব প্রতিবেদক

হেল্থ কেয়ার ভিসায় সিলেট থেকে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে প্রতারণা করে বিভিন্ন প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের এক জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯)।

 

Manual3 Ad Code

রবিবার (১৬ আগস্ট) আনুমানিক রাত সাড়ে ৯টার দিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার রায়গড় পুরান বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি কয়েছ আহমদ (৪০)। তিনি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর এলাকার ময়নুল হকের ছেলে।

 

ঘটনার বিবরণ উল্লেখ করে র‌্যাব জানায়, বাদী সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানাধীন গৌরাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল আহাদ (৫৯)। বিবাদীগণ ও বাদী তারা একে অপরের আত্মীয়। বিবাদীগণ পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাদীর অসহায়ত্ব এবং বেকার সন্তানদের বিদেশে পাঠানোর আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করে। বিভিন্ন মাধ্যমে বিবাদীরা জানায়, হেল্থ কেয়ার ভিসায় যুক্তরাজ্যে লোক পাঠানো হচ্ছে এবং তাদেরকাছে একাধিক ভিসা রয়েছে। বিবাদীগণের কথায় বিশ্বাস করে বাদী তার ছেলে আব্দুল আহসান সুহেদকে ৪০ লাখ টাকার বিনিময়ে ১ নম্বর বিবাদী মো. জসিম উদ্দিনের সহায়তায় হেল্থ কেয়ার ভিসায় যুক্তরাজ্যে পাঠান।

Manual8 Ad Code

 

র‌্যাব আরও জানায়, পরবর্তীতে ৩ নম্বর সাক্ষী আব্দুল আহবাব পারভেজ ও ৪ নম্বর সাক্ষী মো. সায়েম হেল্থ কেয়ার ভিসায় যুক্তরাজ্যে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। হেল্থ কেয়ার ভিসায় যুক্তরাজ্যে যেতে হলে মোট ৮০ লাখ টাকা প্রয়োজন এবং ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আনুমানিক ৪/৬ মাস সময় লাগবে বলে জানায় তারা। বিবাদীগণ বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ২০২৩ সালের ১৮ মে তারিখে ৩ নম্বর ও ৪ নম্বর সাক্ষীর নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সর্বমোট ৬০ লাখ টাকা নেন। পরবর্তীতে ৩ নম্বর ও ৪ নম্বর সাক্ষীর বিদেশ গমনের উদ্দেশ্যে মেডিকেল পরীক্ষা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। টাকা প্রদান ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করার পর তারা হেল্থ কেয়ার ভিসার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। কিন্তু প্রায় এক বছর পার হওয়ার পর ভিসা প্রক্রিয়ার কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় বাদী ও সাক্ষীগণ বিবাদীগণের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

 

এ সময় বিবাদীগণ বিভিন্ন অজুহাত প্রদর্শন করে সময় নিতে থাকেন। একপর্যায়ে তাদের ভেতরে সন্দেহ তৈরি হয়। তখন তারা ৭ নম্বর বিবাদী রিমি বেগমের দেওয়া ভিসা সংক্রান্ত কাগজপত্রগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখেন কাগজপত্রগুলো জাল ও ভুয়া। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা তাদের কাছে টাকা ফেরত চাইলে বিবাদীগণ টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং হুমকি প্রদান করেন। পরবর্তীতে এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

Manual8 Ad Code

 

 

মামলা দায়েরের পর র‌্যাব-৯ সিলেটের একটি আভিযানিক দল সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার মামলা নম্বর-০৯, তারিখ-০৪/০৮/২০২৬ খ্রি., ধারা- ৬(২)/৭/৮(২)/৯(২) মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ মূলে সিলেটের গোলাপগঞ্জে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎকারী প্রতারক চক্রের এজাহারনামীয় ৪ নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে।

Manual3 Ad Code

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৯) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া ) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, ‘পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লাখ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‌্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com