• সিলেট, বিকাল ৪:৪৫, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

Manual8 Ad Code

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
প্রত্যেক নাগরিকের জন্য দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিতই সরকারের অগ্রাধিকার

 

অনলাইন ডেস্ক

 

Manual6 Ad Code

 

Manual8 Ad Code

দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিতই সরকারের অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল ৮ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’। বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় সাক্ষরতার অর্থ এখন আর শুধু পড়া, লেখা ও গণনার মৌলিক সক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল দক্ষতা, তথ্য ব্যবহারের সক্ষমতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, সৃজনশীলতা, জীবনদক্ষতা, পরিবেশ-সচেতনতা এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা। অর্থাৎ মানুষের উন্নয়ন, পৃথিবীর সুরক্ষা এবং সমৃদ্ধ অর্থনীতি-এই তিনের সংযোগস্থলেই আজকের সাক্ষরতার অবস্থান। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে আমাদের শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সনদনির্ভর শিক্ষা থেকে দক্ষতাভিত্তিক, কর্মমুখী ও নৈতিক শিক্ষায় উত্তরণ।

Manual6 Ad Code

তিনি বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের কেন্দ্রে থাকে জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ। তাই বর্তমান সরকারের কাছে সাক্ষরতা শুধু নিরক্ষরতা দূর করার কর্মসূচি নয়; এটি মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই সমৃদ্ধির ভিত্তি। বর্তমান সরকার এমন শিক্ষা ও সাক্ষরতা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যা মানুষকে শুধু পড়তে ও লিখতে শেখাবে না, পরিবর্তনশীল বিশ্বের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনেও সক্ষম করে তুলবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে সবার জন্য কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার দেশের ইতিহাসে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। বর্তমান সরকারের মেয়াদে এই বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি রয়েছে। পাশাপাশি সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই মানবিক ও নাগরিক মূল্যবোধ বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানো হবে।

তারেক রহমান বলেন, সাক্ষরতার পরবর্তী ধাপ হবে দক্ষতা, আর দক্ষতার লক্ষ্য হবে আত্মনির্ভরতা ও কর্মসংস্থান। তাই সাক্ষরতা কার্যক্রমকে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, প্রযুক্তি শিক্ষা, ডিজিটাল দক্ষতা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণের সঙ্গে কার্যকরভাবে যুক্ত করা জরুরি। বিশেষ করে গ্রামীণ শিক্ষাবঞ্চিত নারী ও গৃহিণীদের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও ডিজিটাল সাক্ষরতার সুযোগ সম্প্রসারণের বিকল্প নেই।

Manual5 Ad Code

তিনি বলেন, শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জনের এই সুযোগ হতে হবে সবার জন্য। শিশু, নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মূলধারায় আনতে হবে। কাউকে পেছনে না রেখে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিত করাই হবে বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। একইসঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থায় মানবিক মূল্যবোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ, ধর্মীয় সম্প্রীতি, সামাজিক শৃঙ্খলা ও নাগরিক দায়িত্ববোধের চর্চা জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।

তারেক রহমান বলেন, একটি আধুনিক রাষ্ট্রের জন্য শুধু দক্ষ কর্মীই নয়, মানবিকতা এবং ধর্মীয় ও পারিবারিক মূল্যবোধসম্পন্ন দায়িত্বশীল নাগরিকও এক বিশাল সম্পদ। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গণমাধ্যম এবং সর্বস্তরের জনগণকে এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর কাছে শিক্ষা, সাক্ষরতা, ডিজিটাল সক্ষমতা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ পৌঁছে দিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আমাদের অঙ্গীকার হোক-সাক্ষরতার আলোকে মানুষের সক্ষমতা বাড়ানো, জ্ঞানের শক্তিতে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়া এবং সচেতন নাগরিকের অংশগ্রহণে একটি পরিবেশবান্ধব, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ নির্মাণ করা। আমি আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com