• সিলেট, সন্ধ্যা ৬:৫৫, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৬
বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

Manual3 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Manual4 Ad Code

 

বারবার প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক

 

Manual3 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতা ঠেকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে দুর্বল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, যথাযথ ব্যয় প্রাক্কলন না করা, ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব, ক্রয় প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, দুর্বল মনিটরিং ও জবাবদিহির ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণ রয়েছে।

বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

Manual2 Ad Code

এদিন বিকাল সাড়ে ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের বৈঠক শুরু হয়। শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ বৃদ্ধি ও ব্যয় বৃদ্ধি সাধারণত একটি মাত্র কারণে হয় না; বরং প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয় প্রক্রিয়া, ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যা তৈরি করে।

তিনি বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির প্রবণতার বিষয়টি সরকারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে নির্ভুল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রকল্প অনুমোদনের পর বাস্তবায়ন প্রস্তুতি দ্রুত করার উদ্যোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধনসংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশিকা সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে সংশোধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি মনিটরিং জোরদার করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ড্যাশবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিয়মিত প্রকল্প পর্যালোচনা ও মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি বাড়ানো হয়েছে।

ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। যেসব প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি, সেগুলোর বিলম্ব, অনিয়ম, ব্যয় বৃদ্ধি ও সংশোধনের কারণ পর্যালোচনা করে বিলম্বের জন্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যে সব প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৩০ শতাংশের কম, সে সব প্রকল্পের উপযোগিতা ও কার্যকারিতা বিবেচনা করে প্রকল্পগুলো পুনর্বিন্যাস, স্কোপ পরিবর্তন কিংবা চলমান রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়/ বিভাগ কর্তৃক যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে প্রকল্প গ্রহণ না করে সমন্বিত কর্মসূচির অধীনে গুচ্ছ প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ই-জিপি ব্যবহারের সম্প্রসারণের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে পেশাগত যোগ্যতা, দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দায়িত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিদ্যমান নীতিমালা হালনাগাদের কার্যক্রম চলছে।

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলে প্রকল্প গ্রহণে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি ক্রয় আরও প্রতিযোগিতামূলক ও জবাবদিহিমূলক করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুল ২০২৫ হালনাগাদের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com