তারেক রহমানের সহযাত্রী ছিলেন কত জন?
নিজস্ব প্রতিবেদক
দীর্ঘ ৬ হাজার ৩শ’ ১৪ দিন (১৭ বছর) পর দেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘদিনের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিরাপদে দেশে ফিরলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটি দিয়ে দেশে আসেন তিনি। এসময় ওই বিমানে তারেক রহমানের সহযাত্রী ছিলেন মোট ৩৭২ জন।
অ্যাভিয়েশন সূত্র জানায়, যুক্তরাজ্যের থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট (বিজি-২০২) বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তখন ফ্লাইটটিতে মোট ২৯৯ জন যাত্রী ছিলেন। সিলেট পৌঁছানোর পর ১৯২ জন যাত্রী সিলেটে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করেন। একই সঙ্গে ওই ফ্লাইটে সিলেট থেকে নতুন করে ৭৩ জন যাত্রী ঢাকার উদ্দেশ্যে ওঠেন। এসময় ওই বিমানে তারেক রহমানের সহযাত্রী ছিলেন মোট ৩৭২ জন। সব মিলিয়ে সকাল ১১টা ৬ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি ১৮০ জন যাত্রী নিয়ে সিলেট থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়। প্রায় ৪৯ মিনিটের ফ্লাইট শেষে বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে উড়োজাহাজটি নিরাপদে ঢাকায় অবতরণ করে।
সূত্র জানায়, যুক্তরাজ্য থেকে আগত যাত্রীদের মধ্যে ১৯২ জন যাত্রী সিলেটে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করেন এবং বাকী ১০৭ জনের ইমিগ্রেশন ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সম্পন্ন হয়। এবং একই সাথে ওই বিমানে সিলেট থেকে আরও ৭৩ জন যাত্রী ঢাকায় যাত্রা করেন।
এসময় বাংলাদেশ বিমানের (বিজি-২০২) ফ্লাইটে তারেক রহমানের সাথে ছিলেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং তার কন্যা জাইমা রহমান।
এর আগে, বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার বিজি-২০২ ফ্লাইটটি। সিলেটে যাত্রাবিরতির কিছুক্ষণ আগেই তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে লেখেন- ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!’
কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সিলেট ও ঢাকা বিমানবন্দরে ফ্লাইটটির আগমন সম্পন্ন হয়। তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল লক্ষ্য করা গেছে।