‘চিন্তামুক্ত ক্রিকেট’ চট্টগ্রামের জয়ের বড় কারণ
অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের উদ্বোধনী দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বড় জয় দিয়ে শুরু করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৬৫ রানে হারিয়েছে বন্দরনগরীর দলটি।
আগে ব্যাট করে চট্টগ্রাম রয়্যালস ৬ উইকেটে তোলে ১৭৪ রান। জবাবে নোয়াখালী এক্সপ্রেস গুটিয়ে যায় ১০৯ রানে।
টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে মালিকানা–সংকট, বিদেশি খেলোয়াড়দের অনিশ্চয়তা—সব চাপ পাশ কাটিয়ে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্স দেখায় চট্টগ্রাম। দলটির নেতৃত্ব দেন জাতীয় দলের স্পিন অলরাউন্ডার শেখ মেহেদি হাসান। ব্যাট হাতে ১৩ বলে ২৬ রানের পাশাপাশি বল হাতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন তিনি।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মেহেদি হাসান বলেন, জয় মানেই আনন্দ। ক্যাপ্টেনসিতে আমি একদম নতুন। এই লেভেলে আগে কখনো অধিনায়কত্ব করিনি। একটু এক্সাইটেড ছিলাম। সব মিলিয়ে আলহামদুলিল্লাহ।
সিলেটে ম্যাচ চলাকালে কুয়াশা ও শিশির বড় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। সন্ধ্যার পর শিশির ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারে—এমন মন্তব্য করেছিলেন জাতীয় দলের ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনও। একই অভিমত জানান মেহেদি হাসান।
চট্টগ্রামের অধিনায়ক বলেন, রাতের খেলায় শিশির থাকবেই। তবে টস জিতে ব্যাটিং নেওয়াটা কোচের খুব ভালো সিদ্ধান্ত ছিল। আমাদের ব্যাটিং লাইনআপ খুব বড় না হলেও বোলিংটা শক্তিশালী। টসটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল, আর আমরা সেটার ভালো ব্যবহার করতে পেরেছি।
নোয়াখালীর বিপক্ষে ম্যাচটিতে মাত্র দুই বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে নামে চট্টগ্রাম। তাদের কেউই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পরিচিত মুখ নন। তবে পরের ম্যাচগুলোতে চার বিদেশি খেলোয়াড় নিয়ে নামার আশা করছেন মেহেদি।
তিনি বলেন, আশা করছি পরের ম্যাচ থেকে চারজন বিদেশি নিয়ে খেলতে পারব। এতে দলের ভারসাম্য আরও ভালো হবে। এটা অবশ্য আমাদের হাতে নেই, অফিশিয়ালরা সিদ্ধান্ত নেবে।
দলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে মেহেদি হাসান বলেন, প্রফেশনাল ক্রিকেটার ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে কিছু সমস্যা ছিল। সেগুলো সমাধান হওয়ার পর সবাই মানসিকভাবে ফ্রি হয়ে গেছে। নতুন কোচিং স্টাফ ও অফিসিয়ালরা আমাদের মানসিকভাবে মুক্ত করে দিয়েছেন। এখন আমরা চিন্তামুক্ত ক্রিকেট খেলতে পারছি—এটাই জয়ের বড় কারণ।
বিডি-প্রতিদিন