• সিলেট, রাত ২:০৭, ৯ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটে এনসিপি’র এক প্রার্থী কোটিপতি, দেশের বাইরে আয় দু’জনের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২, ২০২৬
সিলেটে এনসিপি’র এক প্রার্থী কোটিপতি, দেশের বাইরে আয় দু’জনের

Manual2 Ad Code

সিলেটে এনসিপি’র এক প্রার্থী কোটিপতি, দেশের বাইরে আয় দু’জনের

Manual5 Ad Code

নিউজ ডেস্ক

Manual4 Ad Code

সিলেট জেলার ৬টি আসনের মধ্যে ৩টিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী। হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুাযায়ী তিন প্রার্থীই উচ্চ শিক্ষিত। এর মধ্যে দুইজনের সম্পদ ও আয় অপেক্ষাকৃত কম হলেও একজন কোটিপতি। দুইজনের দেশে ও দেশের বাইরে রয়েছে আয়ের উৎস।

হলফনামা থেকে জানা গেছে, সিলেট-১ আসনে এনসিপির প্রার্থী এহতেশামুল হক ছিলেন দ্বৈত নাগরিক। চলতি বছরের ২২ অক্টোবর তিনি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। মাস্টার্স পাশ এহতেশামুল হক পেশায় পরামর্শক (কনসালটেন্ট)। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকারের একজন কর্মকর্তাও ছিলেন তিনি। স্ত্রী সাবিনা আক্তার পেশায় যুক্তরাজ্যের কমিউনটি কাউন্সিলর কেভিনেট মেম্বার।

Manual4 Ad Code

দেশের ভেতরে এহতেশামুলের বার্ষিক আয় ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও দেশের বাইরে আয় ৬ লাখ টাকা। দেশের বাইরে তাঁর স্ত্রীর বার্ষিক আয় ৪০ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামে ১০ লাখ টাকা মূল্যের একটি গাড়িও রেেছ।

এহতেশামুলের কাছে নগদ সাড়ে ৩ লাখ ও ব্যাংকে ৮ লাখ ১০ হাজার টাকা রয়েছে। নিজের নামে ৩ লাখ টাকা ও স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। হলফনামায় এহতেশামুল উল্লেখ করেছেন তাঁর অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন ও বর্তমান মূল্য ১৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর স্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মূল্য ১৫ লাখ টাকা।

Manual6 Ad Code

সিলেট-৩ আসনে এনসিপির প্রার্থী ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ একসময় যুক্তরাজ্যে ছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। পেশায় শিক্ষানবীশ আইনজীবী জুনেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এলএলএম। আর স্ত্রী তানজিনা শহীদ পেশায় চিকিৎসক।

হলফনামায় নুরুল হুদা জুনেদ উল্লেখ করেছেন তাঁর বার্ষিক আয় ৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে কৃষিখাতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, আইন পেশা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা ও অন্যান্য খাত থেকে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। তার হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকে ৮০ হাজার টাকা জমা আছে।

১০ লাখ টাকা মূল্যের গাড়ি, ১০ ভরি স্বর্ণ, ২ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক পণ্য ও দেড় লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে। ১৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অর্জনকালীন অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা বলে উল্লেখ করেছেন ব্যারিস্টার জুনেদ। তাঁর স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ৪ কেদার কৃষি, অকৃষি জমি ১ কেদার ও যৌথমালিকানায় ৭ কেদার জমিসহ একটি দোতলা বাড়ি। তার স্থাবর সম্পদের মূল্য ১০ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

সিলেট-৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী মো. রাশেদ উল আলম পেশায় আইটি ডেভেলপার। তিনিও একসময় যুক্তরাষ্ট্রে সপরিবারে বসবাস করতেন। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রানু বেগম সেখানকার ব্যবসায়ী।

রাশেলের দেশের ভেতরে বার্ষিক আয় ৪৮ লাখ টাকা ও দেশের বাইরে ৬২ লাখ টাকা। দেশের বাইরে স্ত্রীর বার্ষিক আয় রয়েছে ৩০ লাখ টাকা। রাশেলের ব্যাংকে কোন টাকা নেই, নগদ আছে ৩৯ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫০ টাকা। স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের কাছে নগদ আছে ৪০ লাখ টাকা। ১০ ভরি স্বর্ণ, ৪ লাখ টাকা মূল্যের ইলেক্ট্রনিক পণ্য ও ৪ লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে তাঁর। রাশেলের অস্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন ও বর্তমান মূল্য ৫১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫০ টাকা।

এছাড়া স্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের ৬০ ডেসিমেল অকৃষি জমি ও ১ কোটি ১০ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮৫ টাকা মূল্যের একটি বাসা। হলফনামায় রাশেল তাঁর স্থাবর সম্পদের অর্জনকালীন ও বর্তমান মূল্য ২ কোটি ২৪ লাখ ২২ হাজার ২৮৫ টাকা উল্লেখ করেছেন।

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com