সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন করা হবে: এম এ মালিক
প্রেস রিলিজ
২৮ জানুয়ারী ২০২৬ (বুধবার) সিলেট মহানগরীর ২৮নং ওয়ার্ডে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন সিলেট-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক। বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে পরিবার, কৃষক, শ্রমিক, নারী, যুব ও শিক্ষার্থীদের জন্য সমন্বিত সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
এম এ মালিক বলেন, “তারেক রহমানের নির্দেশনায় বিএনপি একটি মানবিক ও কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে, যার মাধ্যমে প্রত্যেক পরিবারের মা-বোনদের জন্য মাসিক দুই হাজার পাঁচশত টাকা করে প্রদান করা হবে। এই সহায়তা টানা পাঁচ বছর ধরে চলবে, যাতে পরিবারগুলো আর্থিক নিরাপত্তা পায় এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা নিশ্চিত হয়।”
তিনি আরও বলেন, এই অর্থ পরিবারের প্রয়োজন, শিশুদের শিক্ষা, ক্ষুদ্র ব্যবসা কিংবা স্বনির্ভর কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা যাবে।
কৃষি খাত প্রসঙ্গে এম এ মালিক বলেন, “কৃষকদের জন্য সুদমুক্ত কৃষিঋণ ব্যবস্থা চালু করা হবে। কোনো রেফারেন্স ছাড়াই ব্যাংক থেকে কৃষিঋণ দেওয়া হবে এবং এতে কোনো ধরনের মুনাফা নেওয়া হবে না।” এতে কৃষকরা আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তা নিয়ে উৎপাদন বাড়াতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শ্রমিকদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, শ্রমিক বিশেষ করে নারী শ্রমিকদের জন্য সম্মানজনক কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি ধর্মীয় খেদমতে নিয়োজিত মসজিদের ইমাম ও প্রতিনিধিদের জন্যও সম্মানজনক রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
যুব সমাজ, ছাত্র ও নারীদের জন্য বিভিন্ন কারিগরি ও পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে এম এ মালিক বলেন, কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে, যাতে তরুণরা দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত হতে পারে।
স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রতিটি এলাকায় অন্তত তিনটি আধুনিক হেলথ সেন্টার স্থাপন করা হবে, যেখানে ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসক ও জরুরি সেবা থাকবে।” পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলা ও শিক্ষা উপযোগী পরিবেশ তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
সবশেষে এম এ মালিক বলেন, “উন্নয়ন ও কল্যাণের রাজনীতি বাস্তবায়ন করতে হলে বিএনপির বিকল্প নেই। জনগণের সঙ্গে নিয়েই আমরা একটি নিরাপদ, মানবিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলব—ইনশাআল্লাহ।”
আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এ.টি.এম ফয়েজ উদ্দিন, বৈশাখী যুব কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মোঃ সাহেদ আহমদ শান্ত, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক কামাল হাসান জুয়েল, সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন বাংলাদেশ এ্যাসোসিয়েশন নর্থ লিংকনশায়ার, ইউকে এর চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমানসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকবৃন্দ।