• সিলেট, রাত ১:৩৭, ৯ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশনের মূল্যায়ন, নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশনের মূল্যায়ন, নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য

Manual6 Ad Code

ইইউ পর্যবেক্ষণ মিশনের মূল্যায়ন,
নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানের ও গ্রহণযোগ্য

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual6 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য পরিবেশে এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন। নির্বাচনকে তারা বিশ্বাসযোগ্য, প্রতিযোগিতামূলক ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হিসেবে মূল্যায়ন করেছে। তবে নারী প্রার্থীর স্বল্পতা, বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক সহিংসতা, অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার এবং কিছু প্রক্রিয়াগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে মিশনটি। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এই পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে একটি অংশগ্রহণমূলক ও বাস্তব প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নবায়িত আইনি কাঠামোর আওতায় আয়োজিত এই নির্বাচন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। মৌলিক স্বাধীনতার চর্চাও মোটামুটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে ছিল। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কিছু রাজনৈতিক সহিংসতা, অনলাইনে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা এবং নারীদের সীমিত রাজনৈতিক অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। বিশেষ করে নারীদের জন্য পর্যাপ্ত রাজনৈতিক পরিসর না থাকাটা বড় চ্যালেঞ্জ। ইভার্স ইজাবস বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও স্বচ্ছভাবে দায়িত্ব পালন করেছে এবং অংশীজনদের আস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। যদিও নির্বাচনি আইন কাঠামো গণতান্ত্রিক নির্বাচন পরিচালনার উপযোগী, তবে আইনি নিশ্চয়তা ও জবাবদিহি আরও জোরদার করতে ভবিষ্যতে সংস্কার প্রয়োজন। ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান জানান, নির্বাচন কমিশন গণমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছে। তবে প্রচারণা বিধি সব ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগ না হওয়ায় পক্ষপাতের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন প্রস্তুতির বিষয়ে ইইউ মিশন সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় সাড়ে আট লাখ নির্বাচন কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন এবং নির্বাচন উপকরণ বিতরণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রবাসী ভোটাররা ডাকযোগে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে বেশির ভাগ ভোট কেন্দ্র প্রতিবন্ধী ও সীমিত চলাচলক্ষম ভোটারদের জন্য সহজগম্য ছিল না। ভোট গণনা ও ফল সংকলনপ্রক্রিয়া সামগ্রিকভাবে দক্ষ হলেও কিছু ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও অখণ্ডতা রক্ষার নিয়ম পুরোপুরি অনুসরণ হয়নি বলে জানান ইভার্স ইজাবস। দুই হাজারের বেশি প্রার্থী অংশ নেওয়ায় ভোটাররা বিস্তৃত রাজনৈতিক বিকল্প পেয়েছেন বলেও মন্তব্য করা হয়। নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ৪ শতাংশ হওয়াকে বড় হতাশা হিসেবে উল্লেখ করে ইভার্স ইজাবস বলেন, পিতৃতান্ত্রিক মানসিকতা, বৈষম্য, অনলাইন হয়রানি ও চরিত্রহনন নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। ইইউ পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে অন্তত ৫৬টি সহিংস ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে, যাতে শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্তত ৩০টি ভুয়া তথ্য শনাক্ত করা হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলো ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ লাখের বেশি মানুষ দেখেছে। উল্লেখ্য এবারের নির্বাচনে পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন মোট ২০০ জন পর্যবেক্ষক পাঠায়, যার মধ্যে ৯০ জন ছিলেন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক। ২০০৮ সালের পর এটাই বাংলাদেশে ইইউর পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।

বিডি প্রতিদিন

Manual8 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com