মানবতার নেত্রীর প্রত্যেকটি উদ্যোগ জনকল্যাণকর….

প্রকাশিত: ১২:১১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২০

মানবতার নেত্রীর প্রত্যেকটি উদ্যোগ জনকল্যাণকর….

মোঃ ওবায়দুর রহমান (কুবাদ) :;
কিন্তুু বাস্তবায়নের দ্বায়ীত্ব থাকে চোর বাটপারদের দখলে। বিভিন্ন ছলচাতুরির মাধ্যমে ডাষ্টবিন থেকে আসা টেকনোক্রেট আওয়ামীলীগ যারা চিরদিন পাকি প্রেমে মগ্ন ছিল, তাদের ভিতরে থাকা প্রতিশোধের আগুন সু-পরিকল্পিত ভাবে নিবারণে কাজ করে যাচ্ছে,সফল ও হচ্ছে।
তারাই আজ সাহেদ,পাপুল… জিকেশামীম,খালেদ,আরমান, পাপিয়া, এঁদের মত প্রত্যেক এলাকায় তাদের স্ব-জাতি জামাত শিবির থেকে আমদানি করে সু-পরিকল্পিত লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করছে।
এখন আমার একটাই প্রশ্ন আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় মানবতার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী দু-জনই শুধু আমাদের নয় বিশ্ব দরবারে সততার প্রতিক হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন।কিন্তুু আজ সাহেদের মতো একজন ৩৫টা মামলার আসামী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক চিহ্নিত প্রতারক কিভাবে কাহার মাধ্যমে বঙ্গভবন ও গণভবনে গিয়েছে? নিশ্চয় আওয়ামীলীগে টেকনোক্রেট আওয়ামীলীগ নেতা মন্ত্রী অথবা এপর্যায়ে যোগ্যতা সম্পূর্ণ আমলাদের সুপারিশের মাধ্যমে গিয়াছে? বাদ দিলাম সেনা প্রধান পুলিশ প্রধান সহ বিভিন্ন সম্মানীত ব্যক্তির সাথে ছবি উঠা এটা আমাদের মুদ্রাদোষে পরিণত হয়ে গেছে যে কোন অনুষ্ঠানে সেলফি ও ছবি উঠিয়ে নিজেকে সু-মর্যাদা সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত করা। কিন্তুু বঙ্গভবন গণভবন তো স্পর্শকাতর এলাকা এখানে যেতে হলে ডি জি এফ আই,এন এস আই, ডি এসবি,কর্তৃক যাচাই বাছাই ও কোন মন্ত্রী নেতা অথবা সরকারি বড় আমলার সুপারিশের প্রয়োজন। সাহেদের মতো এত বড় প্রতারক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক চিহ্নিত এখানে যেতে কে বা কাহারা সহযোগীতা করেছে? ওরা কি আদৌ আওয়ামীলীগ, নেত্রী ও দেশের মঙ্গল চায়, অবশ্যই না।

আজ আওয়ামীলীগ কি আওয়ামীলীগের হাতে?

আওয়ামীলীগে শুধু তৃণমূলে নয়, উপজেলা জেলা পর্যায়ে নেত্রীবৃন্দ ও কি ভাল আছে?আমার পর্যবেক্ষণে না।মানবতার নেত্রীর প্রত্যেকটি উদ্যোগ জনকল্যাণ কর,
কিন্তুু বাস্তবায়ন চোর বাটপারদের দখলে, রাস্তা এইভাবে দেখিয়ে দেওয়ার লোক আওয়ামীলীগ থেকে হাড়িয়ে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগের নেত্রীবৃন্দ টেকনোক্রেট আওয়ামীলীগ নেতা এমপি মন্ত্রীদের কাছে নিজগৃহে প্রবাস। এর জন্য জেলা ও উপজেলার নেত্রীবৃন্দ তৃণমূল কে কোন প্রকার সহযোগীতা করতে পাড়ছে না। যেমন নেত্রীর একটি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ২০০৯ সাল থেকে যারা আওয়ামীলীগার তারা কমিটির মধ্যে থাকতে পাড়বে না, কিন্তুু বাস্তবে দেখা যায় ভিন্নতা। আওয়ামীলীগের টেকনোক্রেট নেতারা নিজ অপ-ক্ষমতা ব্যবহার করে ভালবাসার মুক্তিযোদ্ধের পরিচালনাকারী আওয়ামীলীগকে মাছের ভাগায় পরিণত করেছেন, আমার জানামতে অনেক এলাকায় বিএনপি, জামাত, শিবির ও ছাত্রদল এবং রাজাকারদের উত্তরাধিকারীকে আওয়ামীলীগে অবস্থান দিয়ে আজ তাদের দ্বারা প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সহ তৃণমূল কে বিভিন্ন ভাবে মানুষিক নির্যাতনের মাধ্যমে সামাজিক ভাবে দুরত্ব রেখে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে।আর সু-কৌশলে তাদের নিজ গোত্রের বিএনপি জামাত শিবির কে পুনর্বাসন করে নিজগৃহ কে পরিপাটিত করে সুচারু ভাবে সাজিয়ে রেখেছেন। জানি আমার লেখা অনেকের মনে কষ্ট লাগবে, যেহেতু মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য জন্মলগ্ন থেকে মুজিব আদর্শে আওয়ামী প্রেমে মগ্ন তাই আজ মনের কষ্টে দেশ প্রেম থেকে সত্য লিখে যাচ্ছি।এতে কাহারো গাত্রদাহ হলে আমার কিছু বলার বা করার নেই।
এই নব্য আওয়ামী লীগারার কারনে আজ অনেক নিবেদিত মুজিব সৈনিক মানুষিক সামাজিক নির্যাতনের শিকার হয়ে রাজনীতির কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে আড়াল করে নিচ্ছেন। আর জামাত শিবির বিএনপির অনেকে সরকারি বেসরকারি ব্যবসা বাণিজ্য সহ ভিতরে ভিতরে আওয়ামী টেকনোক্রেট নেতাদের ব্যবহার করে দলীয় কাজকর্ম প্রভাব সহ নানান বিষয়ে চাঙ্গা মনোভাবে আছেন। যা মাটি ও মানুষের কল্যাণে গড়া জাতিরপিতার হাতে গড়া জন্মদেওয়া রাষ্ট্রের মালিক আওয়ামীলীগের জন্য সুখকর নয়। আজ যারা কোটি কোটি টাকার হিসেব মিলিয়ে অভ্যস্ত,যাদের স্ত্রীরা কমিশন ও দু নাম্বারি ব্যবসার টাকায় বিদেশে বাড়ী গাড়ীতে ঘুরে বেড়ানোয় অভ্যস্ত তাদের কাছ থেকে দেশ প্রেমিক জনগন কি আশা করতে পারে।
কিছু কিছু জেলা উপজেলায় দেখা যাচ্ছে ও এস ডি হওয়া অফিসার বিএনপি জামাতপন্তী কর্মকর্তা কর্মচারী কে জন বিচ্ছিন্ন টেকনোক্রেট নেতা এমপি মন্ত্রীরা অনুরুদের মাধ্যমে পোষ্টিং করিয়ে প্রশাসনিক বলয় সৃষ্টি করে তৃণমূল কে ভয়ে রেখে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করছেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধেয় আপা,
জাতিরপিতার উত্তরাধিকার হিসেবে আপনি মানবতার নেত্রী ও বোনের কাছে সবিনয়ে দাবী আপনি আগে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আমাদের দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দেখে ভয় হচ্ছে। আপনি না বাঁচলে জাতির পিতার সোনার বাংলা তো দুরের কথা দেশটাই এতিম হয়ে যাবে।হায়াৎ মউত আল্লাহর হাতে তা বিশ্বাস করি, তবে আপনার দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতম হায়াৎ আল্লাহর দরবারে কামনা করি যাহাতে মহান আল্লাহ এই মহামারি দুর্যোগ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে আমাদের কে এতিম না করেন।
আর জাতির পিতার সপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রকৃত মুজিব আদর্শের পুর খাওয়া আওয়ামীলীগার একাত্তরের নেত্রীত্বে থাকা জাতীয় নেত্রীত্বের ও আওয়ামী পরিবারের এখনও যারা আপনার উপরে বিশ্বাস রেখে আওয়ামীলীগের দুর্দিনে আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাদের উত্তরাধিকার ও ছাত্রলীগ যুবলীগ সহ ২০০৯ সালের পূর্বে নেত্রীত্ব দিয়েছে এবং একাত্তর থেকে এখনও আওয়ামীলীগের নেত্রীত্বে জাতীয়,জেলা, উপজেলায় আমাদের মুরুব্বি পর্যায়ে ছিলেন বা আছেন তাদের কে মূল্যায়িত করে দল ও সরকার কে শক্তিশালী করে রাজনীতিতে মৃত তৃণমূল ও নিবেদিত মুজিব আদর্শের আওয়ামীলীগ কে জাগ্রত করুণ।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
জয়তু শেখ হাসিনা

মোঃ ওবায়দুর রহমান (কুবাদ)
সভাপতি,
মুক্তিযোদ্ধা যুব-কমান্ড সুনামগঞ্জ জেলা কমিটি।