• সিলেট, সন্ধ্যা ৭:১৮, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কমলগঞ্জে ভাতিজার দা’য়ের কো*পে প্রাণ গেল চাচীর

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ২২, ২০২৬
কমলগঞ্জে ভাতিজার দা’য়ের কো*পে প্রাণ গেল চাচীর

Manual6 Ad Code

কমলগঞ্জে ভাতিজার দা’য়ের কো*পে প্রাণ গেল চাচীর

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি

Manual2 Ad Code

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে ভাতিজার দা’য়ের আঘাতে চাচী বকুল বেগম (৬৫) নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার দুপুরে কমলগঞ্জ উপজেলার সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত বকুল বেগম (৫৬) সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামের মৃত ইলিয়াছ মিয়ার স্ত্রী।

এ ঘটনায় গুরুতর আহতরা হয়েছেন বকুল বেগমের মেয়ের জামাই অজুদ মিয়া (৩৫), একই এলকার সেলিম মিয়ার ছেলে সাঈদুল ইসলাম (১৮) ও আমিনুল ইসলাম (১৬)। হামলাকারীকে জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

স্থানীয় সূত্র খোঁঁজ নিয়ে জানা যায়, পারিবারিক দ্বন্ধে হেলিম মিয়া তার ভাইয়ের ঘরে প্রবেশ করে ভাতিজা সাইদুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলামকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে প্রাণ রক্ষায় আমিনুল ও সাইদুল দৌড়ে এসে প্রতিবেশী বকুল বেগমের ঘরে আশ্রয় নেয়। সেখানে হেলিম এসে আবার ধারালো ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। এসময় ছুরির আঘাতে বকুল বেগম, বকুল বেগমের মেয়ের জামাই অজুদ মিয়া, সাইদুল ইসলাম ও আমিনুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।

Manual1 Ad Code

পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক বকুল বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম ও অজুদ মিয়ার অবস্থা গুরুতর থাকায় তাদেরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরে স্থানীয় এলাকাবাসী হামলাকারী হেলিম মিয়াকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করে।

নিহত বকুল বেগমের মেয়ে পারভীন বেগম বলেন, হেলিম মিয়া তার ভাতিজাদেরকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে আমাদের ঘরে নিয়ে আসে। এসময় আমার মা সাইদুল ও আমিনুলকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে আসলে আমার মা ও বোনের জামাইকে ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে আমার মাকে হত্যা করে। এমন নৃশংস ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত বকুল মিয়ার ঘরে স্বজনদের আহাজারি করছেন।

Manual6 Ad Code

স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য পপি বেগম বলেন, হেলিম মিয়া তার ভাইয়ের বউকে দেখে ছুরি দিয়ে দৌড়ে ঘরে নিয়ে আসে। এসময় হেলিম মিয়া তার ভাতিজাদেরকে আঘাত করে। তারা বাঁচার জন্য প্রতিবেশি বকুল বেগমের ঘরে ঢুকে। সেখানে হেলিম এসে ৪ জনকে কুপিয়ে আহত করে। এসময় তিন জন গুরুতর আহত হলেও বকুল বেগম মারা গেছেন।

Manual4 Ad Code

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আউয়াল সিলেটভিউ-কে বলেন, স্থানীয়রা ঘটনাকারীকে আটক করে হস্তান্তর করেছেন। এ ঘটনায় হেলিমের বিরুদ্ধে আগেও থানায় কয়েকটি মামলা ছিলো। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com