• সিলেট, রাত ২:২৬, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর

admin
প্রকাশিত মে ১৯, ২০২৬
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর

Manual8 Ad Code

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘চিকেনস নেক’ মোদি সরকারের কাছে হস্তান্তর শুভেন্দুর
অনলাইন ডেস্ক

 

ভারতের কৌশলগত নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পশ্চিমবঙ্গের ‘শিলিগুড়ি করিডোর’বা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত সরু ভূখণ্ডের অনেকটা জমি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হস্তান্তর করেছে রাজ্য সরকার।

Manual5 Ad Code

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মুখ্য সচিবের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রণালয় থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া ওই প্রস্তাবটি গত এক বছর ধরে রাজ্য সরকারের কাছে আটকে ছিল।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসে বিজেপি।

নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসেই ‘যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য’ ওই অঞ্চলের সাতটি সড়ক ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অব ইন্ডিয়া ও ন্যাশনাল হাইওয়েজ অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন লিমিটেডের হাতে তুলে দিয়েছে।

Manual6 Ad Code

এতদিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারের পূর্ত দফতরের হাতেই এই সড়কগুলো দেখভালের দায়িত্ব ছিল। এই সাতটি সড়কের মধ্যে পাঁচটিই সরাসরি শিলিগুড়ি করিডোরের মধ্যে দিয়ে গেছে।

এখন এই হস্তান্তরের ফলে রাস্তাগুলোর সম্প্রসারণ, মেরামতির কাজ দ্রুত শুরু হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

একজন সামরিক পর্যবেক্ষক বলেছেন, রাস্তার সম্প্রসারণ হলে ওই অঞ্চলে সড়কপথে সামরিক অভিযান অনেক সহজ এবং দ্রুত হবে।

ভৌগোলিক দিক থেকে ‘চিকেনস নেক’র অবস্থান ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তিনটি আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই ভূখণ্ডটি সবচেয়ে সরু যেখানে- তার দৈর্ঘ্য মাত্র ২২ কিলোমিটার। এই ‘চিকেনস নেক’ বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটান সীমান্তের খুব কাছাকাছি অবস্থিত।

Manual7 Ad Code

সরু ভূখণ্ডটি উত্তর-পূর্বের সেভেন সিস্টার্স বা সাতটি রাজ্যের সঙ্গে ভারতের বাকি অংশকে সংযুক্ত রেখেছে। এই অঞ্চলটির লাগোয়া সিকিমের উত্তরে রয়েছে আরেক প্রতিবেশী দেশ চীন।

বিশেষজ্ঞরা জাতীয় সুরক্ষার দিক থেকেও এই পদক্ষেপকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

Manual8 Ad Code

২০১৭ সালে ভুটান, চীন ও ভারতের সীমানার সংযোগস্থল ডোকলামে সামরিক সংকটের পর থেকেই এই অঞ্চলের রাস্তা সম্প্রসারণ করা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্তরে চিন্তা-ভাবনা চলছিল।

ওই সময় ডোকলামের উভয়পাশে ভারত ও চীন সৈন্যসামন্ত জড়ো করেছিল। এক পর্যায়ে যুদ্ধাস্ত্রের মহড়া দেখায় দুই দেশ। সূত্র: ফার্স্টপোস্ট, বিবিসি বাংলা

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com