নারী-পুরুষ সমতায় দক্ষিণ এশিয়ায় আবারও শীর্ষে বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ এশিয়ায় নারী-পুরুষ সমতায় শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২৬’-এ এই তথ্য উঠে এসেছে।
২০১৪ সালে শ্রীলঙ্কাকে পেছনে ফেলার পর থেকে টানা ১২ বছর ধরে এই অঞ্চলে এক নম্বর স্থান ধরে রেখেছে ঢাকা।
গতকাল বুধবার প্রকাশিত সূচকটির ২০তম সংস্করণ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সার্বিক লিঙ্গ বৈষম্য কমে দাঁড়িয়েছে ৭১.২ শতাংশে, যা গত বছর ছিল ৭৭.৫ শতাংশ। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে লিঙ্গসমতার সূচক কমেছে ৬.২ শতাংশ পয়েন্ট।
ডব্লিউইএফের এই সূচকে চারটি প্রধান ক্ষেত্রে লিঙ্গবৈষম্য পরিমাপ করা হয়—অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ, শিক্ষাগত অর্জন, স্বাস্থ্য ও আয়ু এবং রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন। ক্ষেত্রগুলোর অধীনে ১৪টি ১৪টি উপ-সূচকের ওপর ভিত্তি করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ ও সুযোগ ক্ষেত্রটিই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে দুর্বল জায়গা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ খাতে বৈষম্য দূর হয়েছে ৪১.৯ শতাংশ, যা আগের বছরে ছিল ৪৫.৭ শতাংশ।
কাজের ক্ষেত্রে অর্জিত আনুমানিক আয়, শ্রমশক্তিতে নারীদের মোট অংশগ্রহণ এবং উচ্চপদস্থ নেতৃত্বে নারী কর্মী কমে যাওয়ার কারণে এই পতন হয়েছে। এই তিনটি ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১৫, ৫.৭ এবং ১.৩ শতাংশ পয়েন্ট সমতা কমেছে।
অন্যদিকে, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন খাতে গত বছর বিশ্বের ৩ নম্বরে থাকলেও এবার বাংলাদেশ নেমে গেছে ১২তম স্থানে। এই খাতে অর্জিত সমতার হার ৫০.৯ শতাংশ। বিশেষ করে সংসদে প্রতিনিধিত্বের সমতার হার পরিমাপের পুরো মেয়াদের মধ্যে সর্বনিম্নে (২.৪ শতাংশ) নেমে এসেছে।
বিডি প্রতিদিন