• সিলেট, রাত ১০:৩২, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটের জাফলংয়ে তরুণী হ ত্যা, স্বামীসহ দুজনের ফাঁ সি

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬
সিলেটের জাফলংয়ে তরুণী হ ত্যা, স্বামীসহ দুজনের ফাঁ সি

Manual4 Ad Code

সিলেটের জাফলংয়ে তরুণী হ ত্যা, স্বামীসহ দুজনের ফাঁ সি

অনলাইন ডেস্ক

Manual2 Ad Code

সিলেটের জাফলংয়ে প্রায় ১৫ বছর আগে গার্মেন্ট কর্মী রুনা আক্তার সাথী (১৯) হত্যার ঘটনায় তার সাবেক স্বামীসহ দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

 

বুধবার সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক শেখ নাজমুন নাহার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি পলাতক ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কবীর হোসেন।

 

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন গাজীপুরের জয়দেবপুর বুরুলিয়া গ্রামের মুছা খানের ছেলে নাজমুল হাসান খান (২৩) এবং তার বন্ধু শেরপুর জেলার শ্রীবরদী লংপাড়া হাওলাচর গ্রামের আদম আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২০)।

 

মামলার নথি অনুযায়ী, ময়মনসিংহের নান্দাইল আসারগাঁও এলাকার নাজমুল হকের মেয়ে রুনা আক্তার সাথী গাজীপুরে একটি গার্মেন্টে কাজ করতেন। সেখানে বাসের হেলপার নাজমুল হাসান খানের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং বিয়ে হয়। তাদের একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। পরবর্তীতে ওই সন্তানকে নাজমুল তার বন্ধু সুজন মিয়ার ফুফুর কাছে দত্তক দেন।

 

 

এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। সন্তানকে ফিরে পেতে সাথী একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। বিচ্ছেদের পরও নাজমুল গার্মেন্টে যাওয়া-আসার পথে সাথীকে বিরক্ত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে ছেলের সঙ্গে দেখা করানোর কথা বলে ২০১০ সালের ১২ মে সাথীকে সিলেটে নিয়ে আসেন তিনি।

 

 

 

পরদিন দুপুরে তাকে জাফলংয়ের সোনাটিলা ফরেস্ট এলাকায় নির্জন স্থানে নিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর ১৫ মে নিহতের বাবা গোয়াইনঘাট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

Manual3 Ad Code

 

তদন্তে পুলিশ পরিদর্শক শহীদুল্লাহ নাজমুল হাসান খানকে গ্রেপ্তার করেন। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং হত্যার বিস্তারিত বর্ণনা করেন বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

 

২০১১ সালের ৩১ জানুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তা দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরবর্তীতে নাজমুল জামিনে মুক্তি পান। মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

 

Manual1 Ad Code

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এপিপি আল আসলাম মুমিন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন ফারহানা হাবিব চৌধুরী।

 

সূত্র- সমকাল

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম

Manual5 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com