.gif)
৩২ হাজার স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদ শুন্য রয়েছে: উপদেষ্টা বিধান রায়
শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, একটা ছোট্র মামলার জন্য কি হচ্ছে আমাদের ৩২ হাজার স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদ শুন্য রয়েছে। আর প্রধান শিক্ষক পদ যদি শুন্য থাকে সেই স্কুল চলবে কি করে?। আমাদের সহকারী শিক্ষকগণ কোনোও প্রমোশন ছাড়াই শিক্ষকতা করে যাচ্ছেন আমরা তাদের প্রমোশন দিতে পারছিনা। আর যদি সেই ৩২ হাজার সহকারি শিক্ষকের পদ শুন্য হতো. ৩২ হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের হতো। শুধু মাত্র একটি ছোট্র মামলার জন্য আমি দেখছি এবং আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
মতবিনিময় সভায় মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল ভাড়াউড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কল্যাণ দেবসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ।
উপদেষ্টা আরও বলেন, একটা স্কুলই হচ্ছে একটা কার্যক্রর ইউনিট। আমার হাতে যদি ক্ষমতা থাকতো বছর আমি কি করতাম প্রত্যেকটা স্কুলে পুরোপুরি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের রুপান্তরিত করতাম। আর যার নেতৃত্বে একজন প্রধান শিক্ষক কিন্তু একই সঙ্গে তাদের দায়বদ্বতা থাকতো বছর শেষে বেইজমেন্ট এলাকায় কতজন শিক্ষার্থীকে তারা আকৃষ্ট করতে পেরেছে তাদের স্কুলে এবং তাদের থেকে যে প্রডাক্ট বের হয়ে আসছে, তা কতটুকু মান সম্মত এটার জন্য তারা অবশ্যই দায়বদ্বতা থাকবে। কিন্তু তারা তাদের কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে একটা স্বায়ত্বশাসন গঠন করবে এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব হবে তাদের সহযোগিতা করা, মনিটরিং করা এটা এই মূহুর্তে বাস্তবায়ন করা সম্ভব না। কিন্তু সত্যি যদি আমাদের দেশকে আমরা এগিয়ে নিতে চাই আমাদের জনগোষ্ঠির প্রয়োজন যেটা সুশঙখলতা লাগবে, তাহলেই শুধু একটা দেশ আশা করা যায়। আর সেটা হতে পারে একটা প্রাথমিক বিদ্যালয়।