টাকার অবমূল্যায়নে ফলের দাম বৃদ্ধি
অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেছেন, নিত্যপণ্য আমদানিতে শুল্ক গত দেড় বছরে বাড়ানো হয়নি, বরং অনেক ক্ষেত্রে কমানো হয়েছে। টাকার অবমূল্যায়নে বিদেশ থেকে যে কোনো পণ্য আমদানিতে খরচ স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে। বিদেশ থেকে ফল বা যাই আনবেন, এটাই পণ্যমূল্য বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় কারণ। গতকাল এনবিআর ভবনে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘এটা নিশ্চিত থাকেন, ট্যাক্স কালেকশন বাড়ানোর জন্য গত দেড় বছরে আমরা ট্যারিফ বাড়াইনি। বরং জনগণের স্বার্থে চাল, পিঁয়াজ, আলু, সয়াবিন আমদানিতে ডিউটি কমিয়ে দিয়েছি। কোনো অবস্থায় চিন্তা করিনি এগুলো কমালে এত হারে রাজস্ব কমে যাবে। আমরা বলেছি এটা জনস্বার্থে প্রয়োজন।’
আবদুর রহমান খান বলেন, ‘কিছু জায়গায় ভুল তথ্য থাকে। আমরা দেড় বছরে ফলের ওপর কোনো ডিউটি বাড়াইনি। বরং ফল আমদানির ওপর আগে ১০ শতাংশ ইনকাম ট্যাক্স ছিল, সেটি কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। একইভাবে খেজুর আমদানির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্যহারে ডিউটি কমানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ডলারের দাম নতুন করে সেট হলো, বাংলাদেশে দ্রব্যমূল্য বাড়ার এটি একটি বড় কারণ। ডলারের দাম প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। ডলারের মূল্য ২ বছর আগে যেখানে ৮০-৮৫ টাকা ছিল, বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ১২৬-১২৭ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
আবদুর রহমান খান বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৭ লাখ করদাতা অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩৪ লাখ করদাতা রিটার্ন দাখিল করেছেন। অনলাইন রিটার্নের মাধ্যমে সরাসরি প্রায় ৪৩০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে, যা গত বছর ছিল প্রায় ১৭০ কোটি টাকা।