সিলেট স্টেশন ক্লাব লিমিটেডের বার্ষিক বনভোজন সম্পন্ন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিলেট স্টেশন ক্লাব লিমিটেড-এর বার্ষিক বনভোজন উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) জৈন্তাপুরের লালাখালের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত ‘নাজিমগড় রিসোর্ট’-এ এই বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।
ক্লাবের প্রেসিডেন্ট শাহ মো: মোসাহিদ আলীর সভাপতিত্বে ও পরিচালক ক্রীড়া বিভাগ যীশু দেব তত্ত্বাবধানে ও পরিচালক, আপ্যায়ন বিভাগ জুম্মা আব্বাস রাজুর পরিচালনায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণে উপস্থিত ছিলেন, পরবর্তী ক্লাবের প্রেসিডেন্ট শাহরুখ আহমদ শাক্কু, সাবেক প্রেসিডেন্ট মঞ্জুর আহমদ চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট ফারুক আহমদ, পরিচালক, অর্থ, পরিল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ এ.এস. সিরাজুল হক চৌধুরী, পরিচালক,ব্যবস্থাপনা ও বিনোদন বিভাগ দেলোয়ার জাহান চৌধুরী আপেল, পরিচালক, সাংস্কৃতিক বিভাগ, তানজিনা মুমিন আহমেদ, নাজীম কামরান চৌধুরী, মোসাদেক কোরেশী শামীম, তুহিন কুমার দাস মিকন, জামাল ইয়াকুব, সাইফুদ্দিন খালেদ, জিয়াউল হক, ফজলে এলাহী চৌধুরী, চন্দন সাহা, লিটন বনিক, মুহিবুর রহমান সাবু, মকসুদ আহমদ লিমু, নিহার কুমার রায়, সুপর্ন দে, সৈয়দ গোলাম ফারুক, বনমালী ভোমিক, মোহাম্মদ আরিফ, সোহেল আহমদ চৌধুরী, এ.এম. কয়ছর আহমেদ, একে এম মামনুর রশীদ, রেজা আলী আহমদ চৌধুরী, সিদ্দিকী জালাল উদ্দিন আলবেরুনী, মোছা: বেগম চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রভা সাহা, সিলেট মিরের-এর সাংবাদিক ইয়াহইয়া ফজল প্রমুখ।
সকাল থেকেই ক্লাবের সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গের উপস্থিতিতে মুখরিত হয়ে ওঠে রিসোর্ট প্রাঙ্গণ। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলে সবাই মেতে ওঠেন অনাবিল আনন্দে। সবুজে ঘেরা পাহাড় আর লালাখালের নীল জলরাশির মিশেলে দিনটি ছিল অত্যন্ত উপভোগ্য।
ক্লাব সদস্যদের আড্ডা, শিশুদের জন্য আকর্ষণীয় খেলাধুলা, নারীদের জন্য বিশেষ ইভেন্ট, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালক, সাংস্কৃতিক বিভাগ তানজিনা মুমিন আহমদ এর পরিচালনায় অনুষ্টিত হয়। রিসোর্টের চমৎকার লোকেশনে দুপুরের ভোজ শেষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ক্লাবের নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।
ক্লাব প্রেসিডেন্ট বলেন, এ ধরনের আয়োজন সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে। যান্ত্রিকতার বাইরে পরিবারের সাথে এমন একটি সুন্দর দিন কাটাতে পেরে সবাই উচ্ছ্বসিত।
বিকেলে একরাশ স্মৃতি নিয়ে আনন্দভ্রমণ শেষে ক্লাবের সদস্যরা পুনরায় সিলেটের উদ্দেশ্যে রওনা হন। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর আতিথেয়তায় এবারের বনভোজনটি সকলের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।