• সিলেট, বিকাল ৩:৫১, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আহমেদ উস সামাদ চৌধুরীর জীবনভিত্তিক গ্রন্থ ‘এ ম্যান অফ এ্যাকশন’ প্রকাশ

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ৭, ২০২৬
আহমেদ উস সামাদ চৌধুরীর জীবনভিত্তিক গ্রন্থ ‘এ ম্যান অফ এ্যাকশন’ প্রকাশ

Manual3 Ad Code

আহমেদ উস সামাদ চৌধুরীর জীবনভিত্তিক গ্রন্থ ‘এ ম্যান অফ এ্যাকশন’ প্রকাশ

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি

ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, চ্যানেল এস এর চেয়ারম্যান আহমেদ উস সামাদ চৌধুরীর জীবনভিত্তিক গ্রন্থ বিশ্বের বৃহৎ অনলাইন বইবিক্রয় প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজন-এর যুক্তরাজ্য সাইট (www.amazon.co.uk) থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এ ম্যান অফ অ্যাকশন : এ লাইফ অফ লিডারশিপ, সার্ভিস অ্যান্ড কমিউনিটি শীর্ষক এই গ্রন্থটি গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বের হয়।

বইটি যৌথভাবে লিখেছেন আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী এবং তাঁর পুত্র তাহমিদ সামাদ চৌধুরী। অ্যামাজন ইউকের ওয়েব সাইট থেকে বইটি সংগ্রহ করা যাচ্ছে। খুব শীগগীর অভ্র প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বইটির বাংলা অনুবাদ।

বইটতে ব্রিটেনে আগমন থেকে শুরু করে তার দীর্ঘ সংগ্রাম, প্রতিষ্ঠা ও নেতৃত্বের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি রয়েঠে শৈশব, অভিবাসন-পরবর্তী জীবনসংগ্রাম এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির বিকাশে তার অগ্রণী ভূমিকার বিস্তারিত বিবরণ।

আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী ব্রিটেনে বাংলাদেশি গণমাধ্যমের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি জনপ্রিয় সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং চ্যানেল এস টেলিভিশন -এর চেয়ারম্যান হিসেবে কমিউনিটির কণ্ঠস্বরকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বইটিতে গণমাধ্যম গড়ে তোলার অন্তরালের গল্প, প্রবাসী সমাজের আত্মপরিচয় নির্মাণের সংগ্রাম এবং নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। গণমাধ্যমের পাশাপাশি আতিথেয়তা, শিল্প, উন্নয়ন ও উৎপাদন খাতে তাঁর অবদান-সফলতার কথাও স্থান পেয়েছে গ্রন্থে। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দুর্যোগ ত্রাণ ও প্রতিবন্ধী সেবায় তার দাতব্য কর্মকান্ডেরবিস্তারিত বিবরণ স্থান পেয়েছে। বইটির একটি বিশেষ ও আবেগঘন দিক হলো পিতা-পুত্রের যৌথ অংশগ্রহণে রচিত অংশ, যা পুরো আখ্যানকে দিয়েছে মানবিক উষ্ণতা ও অন্তরঙ্গতা।

এতে রয়েছে নেতৃত্ব, নাগরিক দায়িত্ববোধ, বিশ্বাস ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার গভীর প্রতিফলন।

Manual6 Ad Code

উল্লেখ্য, আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী অনেক গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে কমিউনিটিতে বিশেষ মর্যাদা অর্জন করেছেন। অভিবাসনের ইতিহাস, প্রবাসী নেতৃত্ব, ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সমাজগঠন এবং সেবাধর্মী জীবনের অনুপ্রেরণামূলক কাহিনি জানতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বর্তমানে ২৭৩ পৃষ্ঠার এই বইটি অ্যামাজন যুক্তরাজ্যের ওয়েবসাইটে প্রিন্ট ও অনলাইন সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে। হার্ড কভারের দাম রাখা হয়েছে ২৬.৯৭ ইউএস ডলার এবং পেপারব্যাকের দাম ১৬.১৮।

Manual8 Ad Code

আগ্রহী পাঠকরা Amazon-এর যুক্তরাজ্য সাইট (www.amazon.co.uk) থেকে বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন। অ্যামাজনের ওয়েব সাইটের মাধ্যমে যেসব দেশ থেকে বইটি সংগ্রহ করা যাবে সেগুলো হচ্ছে, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, নেদারল্যাল্ডস, পোল্যান্ড, সুইডেন, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড এবং জাপান। তাছাড়া কিন্ডল সংস্করণে কেনা যাচ্ছে ব্রাজিল ভারত এবং মেক্সিকোতে।

আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী ১৯৫৬ সালের ১লা জানুয়ারি সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ থানার নূরপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যে চলে আসেন। ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী বাথ শহরের সিটি অফ বাথ কলেজ থেকে ও-লেভেল পাস করার পর ব্যবসা প্রশাসন বিষয়ে প্রথম ভর্তি হন সাউথ বৃস্টল কলেজে এবং পরে এ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করেন। উভয় কলেজে তিনি স্টুডেন্ট ইউনিয়নে সহ-সভাপতি ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

 

Manual5 Ad Code

১৯৯১ সাল থেকে ‘কমনওয়েলথ জাজেস অ্যা- ম্যাজিস্ট্রেট অ্যাসোসিয়েশন’ এর আজীবন সদস্য আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী। একই সালে ব্রিটেনে বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্য থেকে ‘জাস্টিস অফ পিস’ (জেপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়ে বাথ বেঞ্চের একজন মেজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ‘ব্রিটেন-বাংলাদেশ মৈত্রী সমিতি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান তিনি। এছাড়াও তিনি ব্রিস্টলে বাঙালি কমিউনিটির জন্য প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ হাউস, ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ সেন্টার, শাহজালাল জামে মসজিদ এবং খাদিজা সেন্টার। তিনিই প্রথম লন্ডনে ব্রডশিট মাল্টিকালার পত্রিকা প্রকাশ করেন ১৯৮৭ সালে।

Manual8 Ad Code

সম্প্রতি ডিকশনারি অফ ইন্টারন্যাশনাল বায়োগ্রাফির ৩৭তম সংস্করণে পৃথিবীর ৬ হাজার শীর্ষ কৃতি মানুষের তালিকায় স্থান হয়েছে বাংলাদেশের এ কৃতি সন্তানের। তিনি শুধু বাংলাদেশ বা যুক্তরাজ্যে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রয়েছেন।

ব্রিটিশ বাংলাদেশি শীর্ষ স্থানীয় জনপ্রিয় কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আহমেদ উস সামাদ চৌধুরী যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক ‘ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি বৃস্টল, বাথ ও লন্ডন এবং সিলেট তথা বাংলাদেশি নানা কমিউনিটি ও চ্যারিটি সংগঠনে সক্রিয় এবং নেতৃত্ব পর্যায়ে যুক্ত। ছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লোরের নিউ ডিল প্রোগ্রামের উপদেষ্টা।

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com