মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন শিক্ষার্থীদের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি সিমুলেশন সম্পন্ন
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) ও আইনি দলিলের ব্যাখ্যা’ শীর্ষক একটি প্রাণবন্ত সিমুলেশন প্রোগ্রাম।
এলএলএম ৪৪, ৪৫ এবং ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা তাদের এই কোর্সের অংশ হিসেবে বাস্তবধর্মী এই আয়োজনে অংশ নেন।
পুরো প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে আইন ও বিচার বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মিতু আক্তারের দক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায়।
শিক্ষার্থীরা চারটি পৃথক দলে বিভক্ত হয়ে সমাজের অতি পরিচিত কিছু সমস্যা—যেমন পারিবারিক ভরণপোষণ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্বের মতো বিষয়গুলো নিয়ে মধ্যস্থতার মহড়া প্রদর্শন করেন। আদালতের বাইরে কীভাবে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এবং শান্তিপূর্ণভাবে বিরোধ মিটিয়ে ফেলা সম্ভব, শিক্ষার্থীরা তাদের অভিনয়ের মাধ্যমে তা ফুটিয়ে তোলেন।
বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর-এর গুরুত্ব বর্তমানে অপরিসীম। এ প্রসঙ্গে কোর্স শিক্ষক মিতু আক্তার বলেন, “মামলার জট কমাতে এবং বিচারপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ বাঁচাতে এডিআর এখন বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত মাধ্যম। আমাদের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা, যাতে তারা কেবল দক্ষ আইনজীবী নন, বরং একজন সফল মধ্যস্থতাকারী হিসেবেও সমাজে ভূমিকা রাখতে পারেন।”
এই আয়োজনের সাফল্যে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমেরিটাস ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরী, আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর শেখ আশরাফুর রহমান এবং আইন ও বিচার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ড. এম জেড আশরাফুল সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তাদের মতে, কর্তৃপক্ষের এমন উৎসাহ ও একাডেমিক সহযোগিতা না থাকলে পড়াশোনার পাশাপাশি এমন বাস্তবমুখী অভিজ্ঞতা অর্জন সম্ভব হতো না।
উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের এমন একাডেমিক উদ্যোগ ও এর সফল বাস্তবায়নকে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমেরিটাস ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরী প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, এ ধরনের কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের মানসম্মত আইন শিক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সর্বোপরি, এই ধরনের ব্যবহারিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের পেশাগত জীবনে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে, যা ভবিষ্যতে একটি সুশৃঙ্খল বিচারব্যবস্থা গঠনে সহায়ক হবে।