সিলেটের যেসব স্কুলকে স ত র্ক করল মাউশি
নিজস্ব প্রতিবেদক
সিলেট ও ঢাকা বিভাগের মোট ৩৫৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে শিক্ষামন্ত্রনালয়। ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বার্ষিকক্রীড়া প্রতিযোগীতা সমাপ্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এরমধ্যে সিলেটের স্কুলের সংখ্যা ৩৯টি। অপর বিদ্যালয়গুলোর অবস্থান ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলায়।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিষয়টি জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রণালয়।
সিলেট বিভাগের মধ্যে সতর্কবার্তা পাওয়া স্কুলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি সিলেট জেলায়, ১৮টি। সেগুলো হচ্ছে গোয়াইনঘাটের লামনি প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয়, আমির মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, হাজী সোহরাব আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, বিন্নাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়, মুসলিমনগর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভিতরগুল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, জৈন্তাপুরের খাজার মোকাম উচ্চ বিদ্যালয়, বাউরভাগ উচ্চ বিদ্যালয়, এম আহমদ পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়, হেমু তিনপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, রমজান-রূপজান বাগেরখাল একাডেমি, কানাইঘাটের আলহাজ্ব বশির আহমদ উচ্চ বিদ্যালয়, চরিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, সুরইঘাট উচ্চ বিদ্যালয়, বড়চতুল হাইস্কুল, কানাইঘাট পাবলিক হাইস্কুল, মালিক- নাহার মেমোরিয়াল একাডেমি, সুরতুন্নেছে মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়।
মৌলভীবাজারে সতর্ক করা হয়েছে মোট ৭টি মাধ্যমিক স্কুলকে। সেগুলো হল, কমলগঞ্জ আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী মুজিব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শমসেরনগর আইডিয়াল কেজি হাইস্কুল, শ্রীমঙ্গলের ভৈরবগঞ্জ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট উচ্চ বিদ্যালয়, বরুনা হাজী জালাল উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, কুলাউড়ার গজভাগ আহমদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।
হবিগঞ্জে সতর্ক করা হয়েছে মোট ১৪টি স্কুলকে। এগুলো হল, চুনারুঘাটের দক্ষিণাচরণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, হবিগঞ্জ সদরের তেলিখাল আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ধল বামকান্দি পাঁচগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ আলীম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, উমেদনগর পৌর উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়, অ্যাডভোকেট আবুজাহির উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী আমির আলী উচ্চ বিদ্যালয়, শায়েস্তাগঞ্জের আশার আলো মডেল হাইস্কুল, বাহুবলের বাহুবল মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, মিরপুর ফয়জুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়, আদর্শ বিদ্যানিকেতন ভুলকোট, সস্তিপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ভাদেশ্বর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
সুনামগঞ্জবাসীর জন্য সুখর,এই জেলার কোনো স্কুলকেই এই সতর্কবার্তা দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি।
আগামী বছর এই প্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ জানুয়ারির মধ্যে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা সমাপ্ত করতে না পারলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সরকারের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের শারীরিক শিক্ষা বিভাগ।
সিলেটভিউ২৪ডটকম