• সিলেট, রাত ১১:৫০, ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে আরও দু’টি তেলবাহী জাহাজ

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ১৪, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে আরও দু’টি তেলবাহী জাহাজ

Manual6 Ad Code

চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে আরও দু’টি তেলবাহী জাহাজ

 

বাসস

 

সিঙ্গাপুর থেকে ১২ হাজার টন উড়োজাহাজের জ্বালানি জেট ফুয়েলবাহী জাহাজ ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে নোঙর করেছে। যা সরবরাহ করেছে ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড।

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ চট্টগ্রাম বন্দরের জেটিতে নোঙর করে।

এছাড়া প্রায় ৬৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে আজ রাতে আরও দু’টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুরের সরবরাহ করা ‘এমটি টর্ম দামিনি’ ৩৩ হাজার টন এবং ভিটল এশিয়ার ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ জাহাজটি ৩৫ হাজার টন ডিজেল রয়েছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) জানায়, ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে জেট ফুয়েলের মজুত ছিল আনুমানিক ২২ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহের চাহিদা সামাল দেওয়া সম্ভব। নতুন এই চালান যুক্ত হওয়ায় মজুত কিছুটা বেড়েছে। যদিও জেট ফুয়েলের ব্যবহার তুলনামূলক কম; মাসের প্রথম ১২ দিনে বিক্রি হয়েছে ২১ হাজার টন, দৈনিক গড় ১ হাজার ৭৫৮ টন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সামান্য বেশি।

Manual2 Ad Code

এদিকে, আজ রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ডিজেলবাহী আরও দু’টি জাহাজের। ‘এমটি টর্ম দামিনি’তে আসছে প্রায় ৩৩ হাজার টন ডিজেল (সরবরাহকারী ইউনিপ্যাক সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড) এবং ‘এমটি লুসিয়া সলিস’ আনছে প্রায় ৩৫ হাজার টন (সরবরাহকারী ভিটল এশিয়া)।

দেশের জ্বালানি ব্যবহারের বড় অংশই ডিজেল নির্ভর, মোট ব্যবহারের প্রায় ৬৩ শতাংশ। পরিবহন থেকে কৃষি, শিল্প থেকে বিদ্যুৎ, সবখানেই এর চাহিদা প্রবল। বিপিসির হিসাবে, এপ্রিল মাসে মোট চাহিদা প্রায় ৪ লাখ টন। সে হিসাব মাথায় রেখে মাসজুড়ে ধাপে ধাপে আমদানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

Manual2 Ad Code

এর আগে মাসের শুরুতেই ৩ এপ্রিল দু’টি জাহাজে করে আসে মোট ৬১ হাজার টন ডিজেল। তবু চাহিদার চাপ পুরোপুরি কমেনি। ১ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার টন, দৈনিক গড় ১১ হাজার ১৩৮ টন।

১২ এপ্রিল পর্যন্ত সরবরাহযোগ্য ডিজেলের মজুত ছিল প্রায় ১ লাখ ১৯ হাজার টন, যা দিয়ে ১০ দিনের মতো চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল। নতুন দু’টি চালান যুক্ত হলে এই সক্ষমতা আরও কয়েক দিন বাড়তে পারে, যদিও তা দীর্ঘমেয়াদে কতটা স্বস্তি দেবে, তা নির্ভর করছে পরবর্তী আমদানির ধারাবাহিকতার ওপর।

বিপিসি’র তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে দৈনিক প্রায় ১১ হাজার টনের বেশি ডিজেল বিক্রি হচ্ছে। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সরবরাহযোগ্য ডিজেলের মজুত ছিল ১ লাখ ১৯ হাজার টন, যা দিয়ে প্রায় ১০ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব ছিল। নতুন চালান যুক্ত হওয়ায় মজুত আরও ৪/৫ দিন বাড়বে।

বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানান, নির্ধারিত সরবরাহের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও জ্বালানি আনার চেষ্টা চলছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে বড় ধরনের সংকটের আশঙ্কা আপাতত দেখা যাচ্ছে না।

বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসেছে, সামনে আরও আসবে। চুক্তিবদ্ধ সরবরাহকারীদের পাশাপাশি বিকল্প উৎস থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে। চলতি মাসে জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো সংকট হওয়ার আশঙ্কা নেই।

Manual2 Ad Code

বিডি-প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com