বিশ্বনাথে বন্ধুর কুড়ালের আ*ঘা*তে প্রাণ গেল আলমের
নিজস্ব প্রতিবেদক
ধারের (পাওনা) টাকা চাইতে গিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে বন্ধুর কুড়ালের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছে শাহ আলম নামের এক যুবক। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল আড়াইটার দিকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ধলিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর পালিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় জনতা ঘাতক মিজানুর রহমানকে স্থানীয় বৈরাগীবাজার থেকে তাকে আটক করে তার বাড়িতেই নিয়ে এসে আটকে রেখে থানা পুলিশে খবর দেন। আর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে স্থানীয় জনতা সেই ঘাতক মিজানুরকে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেন।
স্থানীয় জনতার কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে যুবক শাহ আলম হত্যায় ব্যবহৃত কুড়াল’সহ ঘাতক মিজানুর রহমানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। ঘাতক মিজানুর ধলিপাড়া গ্রামের দলিল লেখক (মরির) বশির উদ্দিনের পুত্র। আর নিহত শাহ আলম তাদের পার্শ্ববর্তী খাজাঞ্চী ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের ছিফত উল্লাহ’র পুত্র।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘাতক মিজানুরের সাথে কুড়ালের আঘাতে নিহত হওয়া শাহ আলমের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের সম্পর্কও ছিল। আর ঘটনার সময় ধারের (পাওনা) টাকা চাইতে শাহ আলম ঘাতক মিজানুরের বাড়িতে আসে। এসময় টাকা চাওয়া নিয়ে তাদের (মিজানুর-আলম) মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহ আলমকে বাড়ির সামনের রাস্তায় নিয়ে কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেয় মিজানুর। শাহ আলমকে কুপিয়ে পালিয়ে যেতে চাইলে বৈরাগী বাজার থেকে স্থানীয় জনতা তাকে (মিজানুর) আটক করেন তারই বাড়িতে নিয়ে এসে আটকে রেখে থানা পুলিশকে খবর দেন। আর অন্যদিকে আরেক দল স্থানীয় জনতা শাহ আলমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে (আলম) মৃত ঘোঘণা করেন।
এব্যাপারে নিহত শাহ আলমের মা আনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলে (শাহ আলম) মিজানুরের কাছে টাকা পায়। আর আজ (বুধবার) সেই টাকা চাইতে গেলে সে (মিজানুর) আমার ছেলেকে হত্যা করে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।
হত্যার ঘটনা ও ঘাতককে আটকের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। আর এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
সিলেটভিউ২৪ডটকম