• সিলেট, সকাল ৮:০৭, ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ১৯, ২০২৬
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

Manual4 Ad Code

ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

অসাধু ব্যবসায়ীদের তেল মজুতে পাম্পে কৃত্রিম সংকট: জ্বালানিমন্ত্রী

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual7 Ad Code

 

Manual8 Ad Code

 

অসাধু ব্যবসায়ীদের তেল মজুতের কারণে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফার এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে জ্বালানি মন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন।

প্রশ্নে মাছুম মোস্তফা (১৬১ নেত্রকোনা-৫) বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলবেন কী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন যে দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই, কিন্তু বাস্তবতা তার সম্পূর্ণ বিপরীত। জ্বালানি পাম্পগুলোতে হরহামেশা বলা হচ্ছে তেল গ্যাস নেই। অনেক পাম্পে গ্রাহকদের ২০০ টাকার বেশি ফুয়েল দেওয়া হচ্ছে না। ক্ষেত্রবিশেষে মোটরসাইকেলে রং লাগিয়ে চিহ্ন দেওয়া হচ্ছে যেন কেউ একাধিকবার তেল নিতে না পারে। জ্বালানির সংকট যদি না হয় তবে কৃত্রিম সংকট কারা তৈরি করল; এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা কারা এই অবৈধ সিন্ডিকেট সরাতে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

জবাবে ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যথার্থই বলেছেন, দেশে জ্বালানির কোনো সংকট নেই। সরকার ২০২৫ সালের মার্চ মাসে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করেছে, মার্চ ২০২৬ মাসে একই পরিমাণ তেল সরবরাহ করছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক অবৈধভাবে জ্বালানি তেলের মজুত ও কালোবাজারি করছে। ফলে পাম্পগুলোতে কৃত্রিম তেল সংকট তৈরি হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন হতে মোটরবাইকে ২০০ টাকার ফুয়েল প্রদান বা রং লাগানোর বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রদান করা হয়নি। প্যানিক বায়িং ও মজুত প্রবণতার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে সারা দেশে জেলা, উপজেলা প্রশাসন ও বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, প্রতিদিন অবৈধ মজুতদারকে ম্যাজিস্ট্রেটরা আইনের আওতায় এনে জেল জরিমানা প্রদান করছেন। মজুদ ও কালোবাজারি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত আছে। এছাড়া, স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। সারা দেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৯,১১৬টি অভিযানে ৩,৫১০টি মামলা হয়েছে, ১ কোটি ৫৬ লাখ ৯ হাজার ৬৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় হয়েছে এবং ৫ লাখ ৪২ হাজার লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/

Manual1 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com