সিলেটে শি শু র গলায় ছু রি ধরে পালাতে চেয়েছিল বাপ্পি
নিজস্ব প্রতিবেদক
র্যাবের এক সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে দৌড়ে পালাতে চেয়েছিল মাদক ব্যবসায়ী আসাদুল আলম বাপ্পি (২২)। কিন্তু কর্মরত এক পুলিশ সদস্য তাকে ধাওয়া দিয়ে ধরার চেষ্টা করলে বাপ্পি তোপখানা এলাকার একটি বাসায় প্রবেশ এবং এক শিশুর গলা ছুরি ধরে গোটা পরিবারকে জিম্মি করে ফেলেন। এরপর পুলিশ আরও কৌশলী চেষ্টা চালায় এবং একপর্যায়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
বাপ্পি কোতোয়ালী থানার কাজিরবাজার এলাকার মোগলটুলার আবুল হোসেনের ছেলে।
শুক্রবার (২২ মে) বিকালে এসব বিষয় জানান সিলেট মাহনগর পুলিলেশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশানর (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম।
তিনি জানান, বাপ্পি র্যাব সদস্য ইমন আচার্য্যকে ছুরিকাঘাত করে দৌড়ে পালানোর সময় কিলো-১ মোবাইল ডিউটিতে থাকা পুলিশের এএসআই (নি.) মো. জামাল মিয়া অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের নিয়ে তাকে দাওয়া দেন। একপর্যায়ে সে তোপখানা এলাকার একটি বাসায় প্রবেশ করে একটি শিশুর গলায় চাকু ধরে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে।
তবে পুলিশ দমে না গিয়ে কৌশলে তার হাতে থাকা ধারালো চাকু ফেলে দিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় ধস্তাধস্তিতে এএসআই জামাল মিয়া, কনস্টেবল হাকিম, উজ্জ্বলসহ আরও কয়েকজন আহত হন। তার ব্যবহৃত চাকুটিও জব্দ করা হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দুপুরের দিকে নগরীর কিনব্রিজের উত্তরপ্রান্তে মাদকসেবিদের কয়েকজন মাদকসেবী ও মাদক কারবারিকে মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখে পুলিশ তাদের আটকের চেষ্টা করে। এসময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে র্যাব-৯ এর কনস্টেবল ইমন আচার্য্য বাপ্পিকে আটকের চেষ্টা করলে তাকে ছুরিকাঘাত করে।
তাকে দ্রুত ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দেড়টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. মনজুরুল আলম।
সিলেটভিউ২৪ডটকম