• সিলেট, সকাল ৮:৩৭, ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জুলাই আন্দোলনে আহতদের সেবা দিয়েছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা: প্রধানমন্ত্রী

admin
প্রকাশিত জুলাই ১১, ২০২৬
জুলাই আন্দোলনে আহতদের সেবা দিয়েছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা: প্রধানমন্ত্রী

Manual4 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

 

Manual1 Ad Code

জুলাই আন্দোলনে আহতদের সেবা দিয়েছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক

 

Manual7 Ad Code

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল (ঢামেক) ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ঢামেক ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ সালের আন্দোলনে অবদান রেখেছিল। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ঢামেকের প্রত্যেক চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সেই আন্দোলনের সাথে ওঁতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছিলেন, সেদিন আহত-শহীদ মানুষগুলোর পাশে তারা দাঁড়িয়েছিলেন, চিকিৎসা দিয়েছিলেন।

শনিবার ডিএমসি ডে-২০২৬ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডাক্তাররা জনগণের পরম বন্ধু, ভরসার জায়গা। মানুষ বিপদে পড়লে ডাক্তারের কাছে যায়। চিকিৎসকরাই রোগ-শোকে কাতর মানুষের পরম বন্ধু হয়ে ওঠেন। এই কথাটি আমি আমার জীবনেও উপলব্ধি করেছি।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রখ্যাত চিকিৎসকরাই বহু বছর ধরে আমার মায়ের চিকিৎসা করেছেন। মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তারা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও মানবিকতার সঙ্গে তার পাশে ছিলেন। বিদেশে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হলেও আমার বিশ্বাস ছিল, উন্নত যন্ত্রপাতি সেখানে থাকলেও এই মানবিক সেবা পাওয়া যেতো না। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দেখেছি, তারা কী অসাধারণ নিষ্ঠায় মায়ের সেবা করেছেন। তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে ১০ জন করে আনসার সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রোগীদের সেবা বাড়াতে ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, একইসঙ্গে নার্স, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, মিডওয়াইফসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর শূন্য পদ দ্রুত পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিরাপদ মাতৃত্ব ও মানসম্মত নবজাতক সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি পর্যায়ে আরও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

দেশে প্রায় ৬০০টি উপজেলা থাকলেও এর মধ্যে মাত্র পাঁচটিতে ১০০ শয্যার হাসপাতাল রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অথচ দেশের ৭০ শতাংশেরও বেশি মানুষ গ্রাম ও উপজেলা পর্যায়ে বসবাস করেন, আর শহরাঞ্চলে বাস করেন মাত্র ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ। তাই গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করা জরুরি।

বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী ও সরকারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি হিসেবে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের প্রতি আমার আহ্বান, প্রতি বছর চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে।

Manual2 Ad Code

তিনি আরও বলেন, লাখো মানুষ উন্নত চিকিৎসার আশায় বিদেশে যাচ্ছেন। এতে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রাও ব্যয় হচ্ছে। আসুন, আমরা এমন একটি স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলি, যাতে দেশের মানুষ আস্থার সঙ্গে দেশেই উন্নত চিকিৎসা নিতে পারেন এবং বিদেশমুখিতা কমে আসে।

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com