• সিলেট, সকাল ৮:৩৭, ৩রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

এবার ১৮ দিনেই শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে মিলল ৪৭ লাখ টাকা

admin
প্রকাশিত জুলাই ১১, ২০২৬
এবার ১৮ দিনেই শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে মিলল ৪৭ লাখ টাকা

Manual5 Ad Code

এবার ১৮ দিনেই শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে মিলল ৪৭ লাখ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

Manual3 Ad Code

 

১৮ দিন পর হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্স খুলে পাওয়া গেছে প্রায় পাঁচ বস্তা টাকা। খাদেম ও মোতাওয়াল্লিদের কাছ থেকে দানের অর্থের হিসাব-নিকাশ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নেয়ার পর শনিবার (১১ জুলাই) দ্বিতীয়বারের মতো খোলা হয় মাজারের দানবাক্স। গণনা শেষে পাওয়া যায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা এবং কিছু বিদেশি মুদ্রা।

Manual7 Ad Code

তবে এখনো নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় দানের অর্থ মাজারের ব্যবস্থাপনায় ব্যয় করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। আগামী বৃহস্পতিবার ব্যবস্থাপনা কমিটির বৈঠকে নীতিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পর দানের অর্থ কোন কোন খাতে ব্যয় করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Manual1 Ad Code

জানা যায়, হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে প্রতিদিন হাজারো ভক্ত-আশেকানের আগমন ঘটে। জিয়ারত ও ইবাদত-বন্দেগি শেষে তারা উদারভাবে দানবাক্সে অর্থ প্রদান করেন। তবে সাত শতাধিক বছর ধরে চলে আসা এই দানের অর্থের আয়-ব্যয়ের কোনো স্বচ্ছ হিসাব ছিল না। অভিযোগ রয়েছে, মোতাওয়াল্লি ও খাদেম দাবিদাররা নিজেদের মধ্যে অর্থ ভাগাভাগি করলেও মাজারের উন্নয়নে তা উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যয় করা হয়নি।

গত মাসে দানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে উদ্যোগ নেন তৎকালীন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম। তিনি মাজারের ডেগ ও দানবাক্সে তালা দিয়ে সিলগালা করেন। চার দিন পর, ২২ জুন তালা খুলে পাওয়া যায় ১৭ লাখ টাকার বেশি। পরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মাজারের নামে একটি যৌথ ব্যাংক হিসাব খোলা হয় এবং সেই হিসাবে অর্থ জমা রাখা হয়। এরপর বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে সভাপতি করে ১৩ সদস্যের মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়।

Manual5 Ad Code

শনিবার সকালে ওই কমিটির তত্ত্বাবধানে মাজারের তিনটি ডেগ ও ছয়টি দানবাক্স খোলা হয়। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী অর্থ গণনার কাজ শুরু করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গণনার কাজ চলছিল।

মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দানের অর্থ থেকে স্বেচ্ছাসেবক ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন এবং লঙ্গরখানার খাদ্য ব্যয় নির্বাহ করার কথা। তবে নীতিমালা চূড়ান্ত না হওয়ায় আপাতত দানের অর্থের তহবিল থেকে কোনো অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে না। আগামী বৃহস্পতিবারের বৈঠকে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে। প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পর উদ্বৃত্ত অর্থ কীভাবে মাজারের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে, সেটিও নীতিমালায় নির্ধারণ করা হবে।

বিডি-প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com