• সিলেট, রাত ৮:০৩, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আন্তর্জাতিক মঞ্চে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সাফল্য

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
আন্তর্জাতিক মঞ্চে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সাফল্য

Manual8 Ad Code

আন্তর্জাতিক মঞ্চে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির সাফল্য

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের গবেষণাগত উৎকর্ষের প্রমাণ রাখল। ICCTASS 2025-এ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ১০টি গবেষণাপত্রের উপস্থাপনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সংগঠন ‘মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটি (MURS)’-এর সদস্যদের জমা দেওয়া মোট ১০টি গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ (Abstract) পূর্বে গৃহীত হওয়ার পর, গত ১১ থেকে ১২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘International Conference on Challenges and Trends in Arts and Social Sciences (ICCTASS 2025)’-এ চূড়ান্ত উপস্থাপনা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

 

উল্লেখ্য, সম্মেলনটির আয়োজন করে American International University–Bangladesh (AIUB)। এতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা গবেষক, একাডেমিক বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন। গৃহীত গবেষণাপত্রগুলোর মধ্যে ৪টি সরাসরি (অন-সাইট) এবং ৬টি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সফলভাবে উপস্থাপিত হয়।

অন-সাইটে সফলভাবে উপস্থাপিত ৪টি গবেষণাপত্র

 

১.শাহরিয়ার আলম মেহেদী তাপাদার,শহিদুর রহমান শাকিব, রিনজুমান রাহা

 

“AI and the Future of Political Journalism: A Comparative Analysis of Bangladesh, India, and Pakistan.”গবেষণাটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক সাংবাদিকতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার ওপর প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে তুলনামূলকভাবে।

 

২. শাহরিয়ার আলম মেহেদী তাপাদার, মুনিরা তাবাসসুম ইতি, সুষ্মিতা চৌধুরী রিমি
“Carbon Tax in Bangladesh: Navigating Prospects and Challenges for a Resilient Future.” গবেষণাটি বাংলাদেশের পরিবেশনীতি ও কার্বন ট্যাক্স প্রবর্তনের সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ এবং অর্থনৈতিক প্রভাব তুলে ধরে।

 

৩.শহিদুর রহমান শাকিব, বায়োজিদ হাসান, মাশরাফি বিন আনাম

“AI in Auditing and Fraud Detection: Ethical and Technological Insights for Sustainable Business.” গবেষণাটি ব্যবসায়িক স্বচ্ছতা রক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা, এর নৈতিকতা ও বাস্তব প্রয়োগ নিয়ে এই গবেষণাটি প্রস্তুত করা হয়েছে।

 

Manual5 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

৪.রায়হান আহমেদ তালুকদার, নুসরাত জাহান দোহা ও তারজিমা হাসান

“Denial of Human Rights through the Implementation of Dark Laws: An Analysis from the Legislative Perspective of Bangladesh.” গবেষণাটি বাংলাদেশের আইন প্রক্রিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের গোপন কাঠামো ও রাজনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে।

অনলাইনে সফলভাবে উপস্থাপিত ৬টি গবেষণাপত্র সমূহ:

১.শাহরিয়ার আলম মেহেদী তাপাদার, মো. তারেক মিয়া ও জয়ন্ত সেন

“Indigenous Wisdom and Environmental Sustainability in Bangladesh: Lessons from the Khasi, Manipuri, and Garo Communities.”
গবেষণাটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জীবনযাপন থেকে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই জীবনচর্চার শিক্ষা তুলে ধরা হয়েছে এই গবেষণা পত্রে।

 

 

Manual6 Ad Code

২.উর্মি আক্তার, প্রাপ্তি সিনহা ও পূর্ণা দেবনাথ

“Boundless Ambition and Moral Reckoning: Knowledge, Ethics, and the Tragedy of Doctor Faustus.” গবেষণাটি সাহিত্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে মানব নৈতিকতা, জ্ঞানলোভ ও সীমাহীন উচ্চাকাঙ্ক্ষার সংঘাত ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

 

৩.জিকরা ইসলাম জুই, অনিন্দিতা কর, জি. এম. সিফাত ইকবাল,তোফায়েল আহমদ তাপাদার

 

“Exploring the Economic Potential of Renewable Energy Transition in Bangladesh for Enhanced Resilience and Sustainability.” গবেষণাটি বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা অর্জনের উপায় বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

৪.আরিফ রশিদ, কামাল হোসেন, তাসনিয়া সুলতানা

Manual1 Ad Code

 

“Reforming Article 66: Educational Standards for Bangladeshi MPs.” গবেষণাটি সংবিধানের ৬৬ নম্বর অনুচ্ছেদের সংস্কার প্রস্তাবের মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতার মান নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা আলোচিত হয়েছে।

 

৫.আনিকা তাবাসসুম,তামরিন হোসাইন মাহা,হৃদিকা দেব

“Closing the Divide: A Comparative Analysis of Urban-Rural Educational Equity as a Driver for Sustainable Economic Development in Bangladesh.”
গবেষণাটি শহর ও গ্রামের শিক্ষাগত বৈষম্য হ্রাসের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কৌশলকে পুনর্গঠন করার প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে।

 

৬.নিশাত ইয়াছিন

“Future-Proofing Constitutions: Intergenerational Equity for Sustainable Justice.” গবেষণাটি সংবিধান প্রণয়নে প্রজন্মান্তর ন্যায্যতা (Intergenerational Equity) ও টেকসই ন্যায়ের ধারণা উপস্থাপন করা হয়েছে এই গবেষণায়।

 

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, এই সাফল্য শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী মানসিকতা ও আন্তর্জাতিক মানের একাডেমিক চর্চার বাস্তব প্রতিফলন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এই অর্জন ভবিষ্যতে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিকে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে আরও দৃশ্যমান করব।

 

উল্লেখ্য, এই অর্জনের পেছনে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইমেরিটাস ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী এবং বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান তানভীর রহমান চৌধুরীর দূরদর্শী নেতৃত্ব, অনুপ্রেরণা ও অব্যাহত সহায়তা।

 

এছাড়াও, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি রিসার্চ সোসাইটির প্রেসিডেন্ট সহযোগী অধ্যাপক সাইদুর রহমান পলাশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ ও গবেষণা তত্ত্বাবধায়কগণকে, যাঁদের একনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা, একাডেমিক পরামর্শ ও মানসম্মত গবেষণা সংস্কৃতি তৈরির প্রচেষ্টা এই অর্জনকে সম্ভব করেছে।

 

এই সাফল্য শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের নয়, বরং পুরো মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি পরিবারের এক যৌথ গর্বের প্রতীক।

 

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com