সাহিত্যচর্চা আলোকিত সমাজ গড়তে সহায়ক: ড. জহিরুল হক
অনলাইন ডেস্ক
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেছেন, সাহিত্যচর্চা ও গ্রন্থমেলা আলোকিত সমাজ গড়তে সহায়ক। হবিগঞ্জ শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির উর্বর ভুমি। এ মাটিতে মহাকবিসহ অনেক প্রতিথযশা কবি সাহিত্যিকের জন্ম হয়েছে। এখানকার কবি সাহিত্যিকদের রচনা কেবল বাংলাদেশে নয়; বিশ্বজুড়ে নন্দিত হয়েছে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিককালে হবিগঞ্জে শিক্ষা, গবেষণা ও সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চায় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের মতো সংগঠন সেই শূন্যতা কাটিয়ে উঠতে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গনে হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৩৪ বছর পূর্তিতে তিনদিন ব্যাপী গ্রন্থমেলা ও সাহিত্য সংস্কৃতি উৎসবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন।
হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি তাহমিনা বেগম গিনির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহিদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি বৃন্দাবন কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ইকরামুল ওয়াদুদ, হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক ও হবিগঞ্জ সমাচার পত্রিকার সম্পাদক গোলাম মোস্তফা রফিক, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর ইলিয়াছ বখত জালাল, বিশিষ্ট সাহিত্যিক জাহান আরা আফছর, বিশিষ্ট লোক সংস্কৃতি গবেষক আবু সালেহ আহমেদ। আলোচনায় অংশ নেন শচীন্দ্র কলেজের ইংরেজী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: লতিফ হোসেন। হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৩৪ বছরে পথচলা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক গৌতম সরকার।
উল্লেখ্য, একই দিন বিকেল ৪ টায় শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে তিন দিনব্যাপী সাহিত্য উৎসব ও গ্রন্থমেলার উদ্বোধন করেন প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ জহিরুল হক। সময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব দিলীপ কুমার বণিক, রোটারিয়ান তবারক আলী লস্কর, লংলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম,সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি তাহমিনা বেগম গিনি, সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহিদ, চুনারুঘাট গণ পাঠাগারের সহ-সভাপতি এস এম মিজান, প্রমূখ।