এ কে খন্দকার বীরউত্তম’র মৃ ত্যু তে দু র্নী তি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের শোক প্রকাশ
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
দুর্নীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশ ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইকবাল হোসেন চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য, উপদেষ্টা নেছারুল হক চৌধুরী বুস্তান স্যার ও সাধারণ সম্পাদক জননেতা মকসুদ হোসেন এক মহান মুক্তিযুদ্ধের মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান (ডেপুটি চিফ অব স্টাফ) সেনাপতি ও বঙ্গবীর এম.এ.জি ওসমানীর সহকারী এ কে খন্দকার এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এ কে খন্দকার ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় সৈনিক। বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। সাবেক এই এয়ার ভাইস মার্শাল পরে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দুই দফায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন একজন দৃঢ়চেতা মুক্তিযোদ্ধা, সৎ ও সাহসী এবং আদর্শনিষ্ঠ দেশপ্রেমিক। তাঁর কর্ম, চিন্তা ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুম এ.কে খন্দকার এর রূহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
উল্লেখ্য, এ কে খন্দকার ১৯৫২ সালে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধের অব্যবহিত আগে তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর দ্বিতীয় প্রধান। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক মুহূর্তে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি প্রথম বিমানবাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন এবং তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বিমানবাহিনী পুনর্গঠিত হয়। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিমানবাহিনীর প্রধান ছিলেন।