• সিলেট, রাত ৯:৫৮, ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর সফরে জলাবদ্ধতা থেকে মিলবে ‘মুক্তি’!

admin
প্রকাশিত মে ১, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর সফরে জলাবদ্ধতা থেকে মিলবে ‘মুক্তি’!

Manual6 Ad Code

প্রধানমন্ত্রীর সফরে জলাবদ্ধতা থেকে মিলবে ‘মুক্তি’!

Manual2 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

Manual3 Ad Code

সিলেট নগরীর প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জলাবদ্ধতা। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে নগরবাসীকে ভোগতে হয় জলজটে। কয়েক ঘন্টা টানা বৃষ্টি হলেই প্রায় অর্ধেক নগরীজুড়ে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা। হাজার কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করেও মুক্তি মিলেনি এই অভিশাপ থেকে। সুরমার নাব্যতা হ্রাসের কারণে বর্ষায় নগরের পানি নিষ্কাশনের মাধ্যম ছড়া-খালগুলো হয়ে ওঠে জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ। নিষ্কাশনের পরিবর্তে সুরমা থেকে উল্টো খাল ও ছড়া দিয়ে পানি নগরে প্রবেশ করে বন্যা ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে।

 

তবে এবার জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে সিলেট নগরবাসী চেয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিলেট সফরের দিকে। আগামীকাল শনিবার সিলেট সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে ‘বন্যা প্রতিরোধী অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে।

ওই প্রকল্পের আওতায় সুরমা নদীতে পতিত হওয়া তিনটি ছড়া ও খালে স্লুইসগেট নির্মাণসহ প্রায় ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার কাজের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক)।

সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী আলী আকবর জানান, জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে স্লুইসগেট নির্মাণ, সুরমার দুই পাড় উঁচু করা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শনিবার এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

Manual3 Ad Code

তিনি জানান, নগরীর জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে সিসিক প্রায় ৭ হাজার টাকার প্রকল্প তৈরি করেছে। প্রথম পর্যায়ে ৪ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকার প্রস্তাবনা জমা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন বিদেশি সংস্থার কাছ থেকে প্রাপ্ত ঋণ ও অনুদান দিয়ে এই কাজ করা হবে।

 

সিসিক সূত্র জানায়, সিলেট নগরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সৌন্দর্য্যবর্ধনে সুরমার দুইপাড়ে অন্তত ১৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে তৈরি করা হবে। বৈঠাখালের কাজিরবাজার মাছবাজার ও তোপখানের মধ্যবর্তী স্থানে, হলদিছড়ার চালিবন্দর এলাকায় ও গোয়ালীছড়ার বোরহান উদ্দীন মাজারের পাশে স্লুইস গেট নির্মাণ করা হবে। বর্ষায় সুরমা নদীর পানি ছড়া ও খালগুলোর চেয়ে উচ্চতায় উঠে গেলে স্লুইস গেটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। এতে সুরমার পানি ঢুকে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে না। এছাড়া সুরমার দুই পাড় উঁচু করা হবে। যেখানে উঁচু করার মতো জায়গা নেই সেখানে বন্যা প্রতিরোধক দেয়াল নির্মাণ করা হবে।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন নগরবাসী আধুনিক ও নান্দনিক নদীতীর পাবে, অন্যদিকে জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে সুরমা নদীকে ঘিরে পরিকল্পিত উন্নয়ন নগরের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হবে।

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম

Manual4 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com