• সিলেট, রাত ৮:১৫, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটে ট্রিপল মা র্ডা র: সন্দেহভাজন বাবুল গ্রে ফ তা র

admin
প্রকাশিত আগস্ট ১২, ২০২৬
সিলেটে ট্রিপল মা র্ডা র: সন্দেহভাজন বাবুল গ্রে ফ তা র

Manual7 Ad Code

সিলেটে ট্রিপল মা র্ডা র: সন্দেহভাজন বাবুল গ্রে ফ তা র

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেট মহানগরীতে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকাল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ওই ব্যক্তির নাম বাবুল (৪০)।

 

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির। তিনি বলেন, ‘আটক বাবুলের বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি।’

 

জানা গেছে, বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে মহানগীর রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার মিতালি ১১১ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকার হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা বাসার ভেতর ঢুকে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহপরিচারিকাকে কুপিয়ে খুন করে পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের প্রধান দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে মরদেহ দেখতে পায়। পুলিশ লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মর্গে প্রেরণ করে।

 

নিহতরা হলেন- মৃত আবরু মিয়ার ছেলে রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার মিতালি ১১১ নম্বর বাসার মালিক মো. আব্দুস সাত্তার (৮২), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনা (২৫)।

 

 

Manual4 Ad Code

এদিকে এই ঘটনার পর অভিযান দিয়ে সন্দেহভাজন বাবুল নামের একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তার দেওয়া তথ্যমতে মিতালি ১১১ নম্বর বাসার
কাছেই একটি ঝোপঝাড়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালায় পুলিশ।

 

এছাড়া সকালের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুনরায় ঘটনাস্থলে যান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম।

 

প্রসঙ্গত, বুধবার (১২ আগস্ট) হঠাৎকরে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মহানগীর রায়নগর এলাকায় মো. আব্দুস সাত্তার বাসা থেকে চিৎকারের শব্দ শোনা যায়। বাসায় অসুস্থ কেউ চিৎকার করছেন ভেবে কেউ আর এগিয়ে যাননি। সকাল ১০টার দিকে বাসার রঙের কাজের জন্য একজন মিস্ত্রি এসে ডাকাডাকি করেও সাড়াশব্দ পায়নি। এসময় পাশের বিল্ডিংয়ের দু’তলার এক ভাড়াটে দেখতে পান আব্দুস সাত্তারের বাসার দরজার নিচ দিয়ে বারান্দায় রক্ত গড়িয়ে বেরুচ্ছে। এসময় তারা দ্রুত চিৎকার-চেচামেচি করলে আশপাশের আরও লোকজন জড়ো হন। পরবর্তীতে থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের প্রধান দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে লাশ উদ্ধার করে।

 

Manual4 Ad Code

 

এসময় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসার একটি রুমে আব্দুস সাত্তারের ও অপর একটি রুমে সুরাইয়া ও তাহমিনার রক্তাক্ত মরদেহ পড়েছিল। বাসার দক্ষিণ দিকের একটি দরজা দিয়ে ঘাতকরা পালিয়ে গেছে বলে প্রমাণ মিলেছে। দোতলা থেকে নিচে নামার সময় রক্তের দাগও লেগেছিল সেখানে।

 

Manual4 Ad Code

 

সিলেটভিউ২৪ডটকম

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com