• সিলেট, রাত ৮:১৩, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আমার সহধর্মিণী আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি : মির্জা ফখরুল

admin
প্রকাশিত আগস্ট ১২, ২০২৬
আমার সহধর্মিণী আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি : মির্জা ফখরুল

Manual4 Ad Code

সহধর্মিণী রাহাত আরা বেগমরে সাথে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ফাইল ছবি

Manual4 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

আমার সহধর্মিণী আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি : মির্জা ফখরুল
অনলাইন ডেস্ক

 

 

নিজের স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে রাজনৈতিক জীবনের নানা কঠিন সময়ে স্ত্রীর সাহস, ত্যাগ ও সহযোগিতার কথাও স্মরণ করেছেন তিনি।

Manual2 Ad Code

সম্প্রতি একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া ভিডিও সাক্ষাৎকারে পারিবারিক জীবন ও রাজনীতিতে স্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন মির্জা ফখরুল।

স্ত্রীকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার সহধর্মিণী (রাহাত আরা বেগম) আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। আমি আল্লাহ তায়ালার কাছে সবসময় শুকরিয়া আদায় করি আমি খুব ভাগ্যবান। আমার তার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। সি কুড বিকাম মাই লাইফ পার্টনার। কারণ আমি আমার জীবনটা বিয়ের পরেই আমার ট্রান্সফার পোস্টিংটা। এরপর রাজনৈতিক জীবনে চলে আসা। পুরোপুরি একটা অনিশ্চিত জীবন।’

মির্জা ফখরুল জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন একটি বীমা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। সন্তানদের পড়াশোনা ও পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে তাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। মেয়েদের হলিক্রস স্কুলে পড়ানোর সময় পরিবারের সদস্যদের গণপরিবহনে যাতায়াতসহ নানা ধরনের কষ্টও করতে হয়েছে তাকে।

তার ভাষ্যে, ‘তিনি নিজে চাকরি করেছেন, দীর্ঘদিন ইন্স্যুরেন্সের কোম্পানিতে কাজ করেছেন। তার চেষ্টাতেই আমার মেয়েরা লেখাপড়া শিখেছে। হলিক্রসে পড়াশোনা করেছে এবং কষ্ট করেছেন। আমার মেয়েরা এবং আমার স্ত্রী এরা টেম্পোতে যাতায়াত করতো। এই কষ্টটা উনি করেছেন খুব প্রচুরভাবে। পরবর্তীতে যখন কিছুটা ভালো বেতন পেলেন, আমিও কিছুটা সেট হবার মতো অবস্থায় আসলাম।’

Manual8 Ad Code

রাজনৈতিক জীবনের সংকটময় সময়গুলোতে স্ত্রীর দৃঢ়তার কথাও তুলে ধরেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটা বিপদের সময় উনি কারেজিয়াসলি দাঁড়াতেন। আমাকে যখন পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে, তখন উনি খুব কারাজিয়াসলি আমার ব্যাগ গুছিয়ে দিয়েছেন। ২০২৩ বা ২০১৪ সালের দিকে একটা রাত্রে পুলিশ রেইড করলো। উনি বললেন, আমি দরজা খুলবো না। ভোর হওয়ার আগে পর্যন্ত আমি দরজা খুলবো না। ইতিমধ্যে মিডিয়াতে খবর দেওয়ায় মিডিয়া সব চলে এসেছে। তারপরে ভোরবেলা উনি দরজা খুলেছেন, আমাকে পুলিশ নিয়ে গেছে।’

স্ত্রীর এমন সাহসিকতার প্রশংসা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি কখনো রাজনীতি করার কারণে তার ওপর বিরক্ত হননি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সবসময় পাশে থেকেছেন। তার মতে, রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলায় তার স্ত্রীর এই সহযোগিতা ও ত্যাগের মূল্য অনেক।

বিডি-প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com