• সিলেট, রাত ১১:৫৫, ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

পার্বত্য উপদেষ্টার সাথে কানাডিয়ান হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬
পার্বত্য উপদেষ্টার সাথে কানাডিয়ান হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Manual8 Ad Code

পার্বত্য উপদেষ্টার সাথে কানাডিয়ান হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পাহাড় ও সমতলের ব্যবধান ঘুচাতে ই-লার্নিং হবে শক্তিশালী হাতিয়ার: উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা

Manual6 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

 

পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি উন্নত ও আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে ‘মানসম্মত শিক্ষা’ ও ‘জীবিকার মানোন্নয়ন’ সরকারের মূল অগ্রাধিকার বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। তিনি বলেন, ই-লার্নিং শুধু শিক্ষা নয়, বরং পাহাড় ও সাক্ষাতে বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়সহ বিভিন্ন সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।

Manual3 Ad Code

সমতলের ব্যবধান ঘুচিয়ে দেওয়ার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। এটি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করার এক সাহসী পদক্ষেপ।

Manual3 Ad Code

আজ সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডিয়ান হাই কমিশনার অজিত সিং (Ajit Singh)-এর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করতে এলে উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন। এসময় উভয়ের সাক্ষাতে বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়সহ বিভিন্ন সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।

Manual1 Ad Code

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে তাঁর কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, কেবল শিক্ষিত নয়, বরং প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ প্রজন্মই পারে একটি বৈষম্যহীন আধুনিক বাংলাদেশ গড়তে। দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার প্রসারে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, পাহাড়ের অনেক এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের (স্টারলিংক বা সমজাতীয় প্রযুক্তি) মাধ্যমে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শহরের অভিজ্ঞ শিক্ষকরা সরাসরি অনলাইনে গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজির মতো কঠিন বিষয়গুলো পড়াতে পারছেন, যা স্থানীয় পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষকের অভাব পূরণ করছে।

উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা আরও উল্লেখ করেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে ‘লাইভলিহুড ডেভেলপমেন্ট’ বা জীবিকার মানোন্নয়নে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ গরিব থাকার কথা ছিল না। এই সম্পদশালী অঞ্চলকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে জুম চাষের পাশাপাশি স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি, আধুনিক সেচ ব্যবস্থা এবং কফি, কাজু বাদাম ও ড্রাগন ফ্রুটের মতো উচ্চমূল্যের ফল চাষে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রকৃতি রক্ষা করে স্থানীয় নৃ-গোষ্ঠীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে পার্বত্য অঞ্চলকে ‘ইকো-ট্যুরিজম’ হাব হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামকে দেশের মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত করতে বদ্ধপরিকর। এই উন্নয়ন প্রচেষ্টা সফল হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম সারা দেশের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ হয়ে উঠবে।

সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মমিনুর রহমান, উপদেষ্টার একান্ত সচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান, কানাডা হাই কমিশনারের ১ম সচিব জোসেফ ম্যাকইনটোশ (Mr. Joseph McIntosh), কানাডিয়ান হাই কমিশনারের কনসালটেন্ট এএইচএম মহিউদ্দিন ও ইউনএনডিপি’র প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়্যুগেস প্রধানং (Mr. Yugesh Pradhanang)

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com