• সিলেট, রাত ১১:১১, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন

admin
প্রকাশিত মার্চ ২৪, ২০২৬
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন

Manual7 Ad Code

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

Manual2 Ad Code

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন

জ্বালানি আমদানির জন্য অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জ্বালানি আমদানির জন্য যে অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন, সে বিষয়েও আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ওয়াশিংটনে সংস্থাটির স্প্রিং মিটিংয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে আইএমএফের সফররত এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আইএমএফের কাছ থেকে পরবর্তী কিস্তি হিসেবে ১.৩ বিলিয়ন ডলার পাওয়ার বিষয়ে এপ্রিলে সংস্থাটির বোর্ড সভায় চূড়ান্ত আলোচনা হবে। তার প্রেক্ষিতে আগামী জুলাই মাসে ঋণের কিস্তি পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, আইএমএফের ঋণ ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ১.৩ বিলিয়ন ডলার কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে জুলাই মাসে রিভিউ হবে। এর মধ্যে আমরা বাজেটের প্রস্তুতি নিবো। ওয়াশিংটনে এপ্রিলে স্প্রিং মিটিং আছে, সেখানে এ বিষয়ে আলোচনা হবে।

Manual6 Ad Code

আমির খসরু বলেন, জ্বালানি আমদানির জন্য যে অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন, সে বিষয়েও আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ওয়াশিংটনে সংস্থাটির স্প্রিং মিটিংয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

তিনি বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আমাদের বেশ কয়েক বছর ধরে প্রোগ্রাম চলছে। প্রোগ্রামটি আবার রি-ভিজিট হবে, এতে কোনো সমস্যা নেই। আইএমএফের যে রিকোয়ারমেন্ট সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে।

তিনি বলেন, আইএমএফের সব শর্ত এখনই পূরণ করা যাবে না। এখন কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব এবং বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেগুলো এখন সম্ভব না, সেগুলো ক্রমান্বয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। কারণ, অর্থনীতি যে জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, সেখান থেকে সব কিছু আমাদের মতো করে করতে হবে।

এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসন সাংবাদিকদের বলেন, ঋণ কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং আরও আলোচনা হবে। বাংলাদেশের সঙ্গে চলমান ঋণ কর্মসূচি রিভিউ হবে।

তিনি আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বের সব দেশের অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই ধরণের অনিশ্চয়তা রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় অর্থনীতি-ব্যাংকিংখাত খুবই খারাপ অবস্থায় পেয়েছি। এই সংকট থেকে উত্তরণে বিএনপির নির্বাচনী ইশতিহারে যে কথাগুলো বলা আছে, সেগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের অনেক রিফর্ম দরকার, অনেক ডিরেগুলেশন দরকার।

তিনি বলেন, ব্যাংকিং সেক্টর খুবই খারাপ অবস্থায় আছে, শেয়ারবাজার খুবই খারাপ অবস্থায় আছে। ট্যাক্স-জিডিপির অবস্থা খুবই কম। এগুলো দূর করতে ম্যানুফেসটো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সম্ভব এবং একটার পর একটা পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছি। সোশ্যাল সেফটি নেটের আওতা সম্প্রসারণে আমরা অলরেডি কাজ শুরু করেছি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি ঋণ মওকুফসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অনেক উন্নয়ন প্রকল্প থমকে গেছে। এগুলো আবার সচল করতে হবে। এ জন্য আর্থিক সক্ষমতা অর্জন করতে হলে সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতিকে একটি জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, যুদ্ধের চ্যালেঞ্জ, ব্যাংকিং সেক্টরের চ্যালেঞ্জ, ক্যাপিটাল মার্কেটের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, ট্যাক্স-জিডিপিতে আমরা একেবারে নিম্ন পর্যায়ে। এটা ইম্প্রুভমেন্টের ব্যাপার আছে।

ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকটের মুহূর্তে দেশবাসীকে সহানুভূতিশীল ও সংযমী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এক মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছে। এর মধ্যে রমজান গেল, যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট সত্বেও দেশের পরিবহনে কোনো সমস্যা হয়নি। সবাই বাড়ি যেতে পেরেছে, ভাড়া বাড়েনি। গার্মেন্টসে কোনো অস্থিরতা হয়নি। তেলের অভাবে কোনো পরিবহন বন্ধ ছিল না।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার একা এই সংকট সামাল দিতে পারবে না, দেশবাসীকে সহানুভূতিশীল হতে হবে, সংযমের দিকে যেতে হবে।

Manual5 Ad Code

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com