সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এম. এ. মালিক বলেছেন, একটি আদর্শ সমাজ গঠনে মসজিদ ও মাদরাসার ভূমিকা অপরিসীম। এই প্রতিষ্ঠানটি অত্র এলাকায় পবিত্র কুরআন-সুন্নাহর সঠিক শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে এবং নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ তৈরিতে আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করবে। আমাদের সন্তানদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে হলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই। সিলেটে তৈয়ব কামাল হযরত শাহজালাল (রঃ) লতিফিয়া মাদরাসা জামে মসজিদটি নির্মাণ হলে এই এলাকার মুসল্লিরা নামাজ পড়তে পারবেন। আমি এই মহতী উদ্যোগের সাফল্য কামনা করছি এবং এই নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে আমার পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
তিনি শুক্রবার (৮ মে) সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৪২নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ সুরমায় তৈয়ব কামাল হযরত শাহজালাল (রঃ) লতিফিয়া মাদরাসা জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও মাদ্রাসা হল রুমে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মুফতি মাওলানা রফিক উদ্দিন ও আফিয়া বেগমের উদ্যোগে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহ এর সভাপতি আল্লামা হুছামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী, তৈয়ব কামাল হযরত শাহজালাল (রঃ) লতিফিয়া মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি এডভোকেট মাওলানা আব্দুর রকিব, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাহাবুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী নজমুল ইসলাম, মাওলানা রফিকুল খান, শাহ আহমেদুর রব, মৌলানা আব্দুল আহাদ, হাজী মো. গোলাব উল্ল্যাহ, হাজী মো. তাজির মিয়া, মসজিদের ক্যাশিয়ার হাজী হাফিজ আব্দুল ওয়াহিদ, সুমন শিকদার, সহিল মিয়া, হাজী আব্দুল মুকিত, হাজী আব্দুল হাকিম, মো. সিরাজ উদ্দিন, হাজী তাহির আলী, কাজী আব্দুস সবুর, মো. হাবিব মিয়াসহ মাদ্রাসা শিক্ষক, এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। বিজ্ঞপ্তি