আয়াতুল কুরসির ফজিলত
অনলাইন ডেস্ক
اَللّٰہُ لَاۤ اِلٰہَ اِلَّا ہُوَۚ اَلۡحَیُّ الۡقَیُّوۡمُ ۬ ۚ لَا تَاۡخُذُہٗ سِنَۃٌ وَّ لَا نَوۡمٌ ؕ لَہٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ مَا فِی الۡاَرۡضِ ؕ مَنۡ ذَا الَّذِیۡ یَشۡفَعُ عِنۡدَہٗۤ اِلَّا بِاِذۡنِہٖ ؕ یَعۡلَمُ مَا بَیۡنَ اَیۡدِیۡہِمۡ وَ مَا خَلۡفَہُمۡ ۚ وَ لَا یُحِیۡطُوۡنَ بِشَیۡءٍ مِّنۡ عِلۡمِہٖۤ اِلَّا بِمَا شَآءَ ۚ وَسِعَ کُرۡسِیُّہُ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ ۚ وَ لَا یَـُٔوۡدُہٗ حِفۡظُہُمَا ۚ وَ ہُوَ الۡعَلِیُّ الۡعَظِیۡمُ
আয়াতুল কুরসির উচ্চারণ
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আল-হাইয়্যুল-ক্বাইয়্যূম, লা তাকুযুহু সিনাতুওঁ ওয়ালা নাওম, লাহূ মা ফিস্-সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ, মান্ যাল্লাযি ইয়াশফাউ ইন্দাহু ইল্লা বি ইযনিহ, ইয়ালামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়া মা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতুনা বি শাইইম্ মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা’আ, ওয়াসিয়া কুরসিইহুস্-সামাওয়াতি ওয়াল আরদ, ওয়ালা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা, ওয়াহুয়াল আলিইয়্যুল আজিম।
আয়াতুল কুরসির ফজিলত সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তার জন্য জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাঁধা থাকবে না।
কোরআনের সবচেয়ে মহিমান্বিত আয়াত হলো আয়াতুল কুরসি। ‘আয়াতুল কুরসি’ হলো সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত। এটি আল্লাহর একত্ব, জ্ঞান, শক্তি এবং সার্বভৌমত্বের অনন্য ঘোষণা।
আয়াতুল কুরসির ফজিলত
১. সবচেয়ে বড় আয়াত: রাসুল (সা.) উবাই ইবনে কা’ব (রা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন: “আল্লাহর কিতাবের সবচেয়ে বড় আয়াত কোনটি?” তিনি বললেন: আয়াতুল কুরসি। রাসুল (সা.) বললেন: “ও উবাই, জ্ঞানের অভিনন্দন তোমাকে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস ৮১০)
এই ‘বড়’ মানে দৈর্ঘ্যে বড় তা নয়, বরং মর্যাদায় বড় বুঝাবার অর্থে বলা হয়েছে। কোরআনের সবচে; দীর্ঘ আয়াত সুরা বাকারার ২৮২ নম্বর আয়াত।
২. শয়তান থেকে সুরক্ষা: রাসুল (সা.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি রাতে আয়াতুল কুরসি পড়বে, আল্লাহ তার জন্য একজন রক্ষক নিযুক্ত করবেন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।” (সহিহ বুখারি, হাদিস ২৩১১)
৩. নামাজের পর পড়ার ফজিলত: রাসুল (সা.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তার জান্নাতে প্রবেশে কেবল মৃত্যু বাধা হয়ে থাকবে।” (সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ৯৯২৮; সহিহুল জামি’, হাদিস: ৬৪৬৪)
কেন আয়াতুল কুরসি এত তাৎপর্যপূর্ণ?
১. এতে তাওহীদের ঘোষণা আছে, যা আল্লাহর একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করে।
২. আল্লাহর হেফাজতের প্রতিশ্রুতি আছে, অর্থাৎ, শয়তান ও অশুভ শক্তি থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
৩. আত্মার প্রশান্তি লাভ হয় এবং পাঠ করলে হৃদয়ে সান্ত্বনা আসে।
৪. জান্নাতের সুসংবাদ আছে, অর্থাৎ, নামাজের পর নিয়মিত পাঠকারীর জন্য জান্নাত অবধারিত।
বিডি প্রতিদিন