র্যাবের অ ভি যা নে ধরা পড়লেন নূর হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯ ও র্যাব-১৪) এর যৌথ অভিযানে জামালপুরের ইসলামপুরে চাঞ্চল্যকর মনিরুল হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) রাত প্রায় সাড়ে ৯টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মুক্তমঞ্চ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মো. নূর হোসেন (৩৯)। তিনি জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার আগুনেরচর এলাকার মৃত মুইজের আলীর ছেলে।
র্যাব জানায়, জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার বোলাকীপাড়া এলাকার বাসিন্দা নিহত মমিনুল উরফে মনিরুল প্রায়ই বাড়ির পাশের দশানী নদীতে ভাসমান নৌকায় বন্ধুবান্ধবসহ আড্ডা দিতেন। ঘটনার দিন ২ সেপ্টেম্বর রাতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে খাবার শেষে তিনি ঘরে বিশ্রাম নিতে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকজন বিবাদী তাকে ঘর থেকে বাইরে আসতে ডাকলে তিনি সেদিন বাইরে যাবেন না বলে জানান। পরবর্তীতে রাত প্রায় ১১টার দিকে বিবাদীরা আবারও বাড়ির সামনে এসে ডাক দিলে মনিরুল ঘর থেকে বের হন। তাঁর পিছু পিছু স্ত্রীও বাইরে এলে এজাহারে বর্ণিত বিবাদীদের তিনি বাড়ির সামনে বিদ্যুতের আলোতে দেখতে পান। এরপর মনিরুল আর বাসায় ফিরে আসেননি। সারা রাত এবং পরদিন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান মেলেনি। দুই দিন পর, ৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টার দিকে দশানী নদীতে ভাসমান অবস্থায় মনিরুলের লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। নিহতের মা পরে ইসলামপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নং–০৯; তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫; ধারা—৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। ঘটনার পর থেকেই আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অবশেষে এজাহারনামীয় আসামি মো. নূর হোসেন (৩৯), পিতা মৃত মুইজ আলী—কে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর মডেল থানার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র্যাব।
র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান,‘গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।’