অবশেষে গ্রে প্তা র হোসেন মিয়া
নিউজ ডেস্ক
অবশেষে হোসেন মিয়াকে (৩০) খাঁচায় পুরেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র্যাব-৯।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে র্যাবের গণমাধ্যম শাখা।
হোসেন মিয়া মৌলভীবাজারের জুড়ী থানার সাগরনাল গ্রামের মৃত মালিক মিয়ার ছেলে।
র্যাব জানায়, রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ থানাধীন করিমপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হোসেন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৯, সিপিসি-২ মৌলভীবাজারের একদল সদস্য।
তিনি জুড়ী থানায় গত ৬ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়েরকৃত একটি মামলার (নং ৩) আসামি।
র্যাব জানায়, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার নিজের তালতো বোনকে প্রায়ই উত্যক্ত করতেন হোসেন মিয়া। গত ২ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে তরুণী তালতো বোনের ঘরে প্রবেশ করে তার মুখ চাপা দিয়ে তাকে ধর্ষণ করে হোসেন মিয়া। পরে তাকে বিয়ের আশ্বাস দেন। এভাবে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে দিয়ে তাকে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। ভিকটিম তাকে বিয়ের চাপ দিতে থাকলে গত ১৫ নভেম্বও ভিকটিমকে তার ফুফুর বাড়ী নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে রেখে দেন। তখনো বিয়ের কোনো চেষ্টা না দেখে ভিকটিম তাকে আরও চাপ দিতে থাকলে এক পর্যায়ে হোসেন মিয়া তাকে নিজের বাড়ী নিয়ে যান এবং শারীরিক নির্যাতন করতে থাকেন। একসময় তিনি তাকে বাড়ী থেকে বের করে দেন। পরে তিনি নিজে বাদী হয়ে জুড়ী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরপর ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব এবং তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
হোসেন মিয়াকে জুড়ী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন র্যাবের গণমাধ্যম কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।