• সিলেট, দুপুর ২:৫৭, ১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

চলতি মাসেই ১০ বার ভূকম্পন, হঠাৎ এত ঘন ঘন কাঁপছে কেন দেশ?

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
চলতি মাসেই ১০ বার ভূকম্পন, হঠাৎ এত ঘন ঘন কাঁপছে কেন দেশ?

Manual5 Ad Code

আবারও ভূমিকম্প, বাড়ছে শঙ্কা
চলতি মাসেই ১০ বার ভূকম্পন, হঠাৎ এত ঘন ঘন কাঁপছে কেন দেশ?

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual5 Ad Code

 

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে সর্বশেষ কম্পনটি টের পান মানুষ। উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি। স্থানীয়রা শক্ত ঝাঁকুনির কথা জানিয়েছেন।

ইউরোপীয় ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র ইএমএসসি জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, উৎপত্তিস্থল খুলনা জেলা শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্বে। গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

ঢাকা ছাড়াও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কিছু এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

তবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে চলতি মাসের পরিসংখ্যান। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত দেশে মোট ১০ বার ভূকম্পন রেকর্ড হয়েছে।

Manual4 Ad Code

মাসের শুরু ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প দিয়ে। ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে একাধিকবার কেঁপে ওঠে দেশ। সেদিন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার কম্পন রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে মিয়ানমারে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হয়।

Manual3 Ad Code

এরপর ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেট অঞ্চলে আরও দুটি কম্পন টের পাওয়া যায়। ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি কম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের সাংগাই অঞ্চলের মনিওয়া শহরের কাছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের সিকিমে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের প্রভাব পড়ে বাংলাদেশে। আর ২৭ ফেব্রুয়ারির ৫ দশমিক ৩ মাত্রার কম্পন মিলিয়ে সংখ্যাটি দাঁড়াল ১০ এ।

ভূতত্ত্ববিদদের মতে, ছোট ও মাঝারি মাত্রার ঘন ঘন কম্পন ভূত্বকের ভেতরে জমে থাকা শক্তির আংশিক নিঃসরণ হতে পারে। তবে দীর্ঘ সময় বড় মাত্রার শক্তি মুক্ত না হলে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকিও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বাংলাদেশ ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত। ফলে এখানে ভূমিকম্পের ঝুঁকি ঐতিহাসিকভাবেই বেশি। সাম্প্রতিক এই উচ্চ হার ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক সংকেত কিনা, তা নিয়ে নজর রাখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিডি প্রতিদিন

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com