• সিলেট, ভোর ৫:২৬, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দোয়ারাবাজারে মাছের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হ*তা*শ খামারিরা

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
দোয়ারাবাজারে মাছের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হ*তা*শ খামারিরা

Manual8 Ad Code

দোয়ারাবাজারে মাছের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হ*তা*শ খামারিরা

দোয়ারাবাজার প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা তেলাপিয়া মাছের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় হতাশায় দিন কাটছে স্থানীয় খামারিদের। বর্তমান বাজারে পাইকারি দরে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে তেলাপিয়া মাছ, যা উৎপাদিত খরচের তুলনায় অনেক কম বলে অভিযোগ চাষিদের।

Manual1 Ad Code

উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের আলীপুর, টেংরাটিলা, নূরপুর, গিরিশনগর, টিলাগাঁও, মহব্বতপুর এবং সদর ইউনিয়নের টেবলাই ও লামাসানিয়াসহ বিভিন্ন গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে তেলাপিয়া মাছের চাষ হয়।

স্থানীয় খামারিরা জানান, পুকুর লিজ নেওয়া, পোনা ক্রয়, খাদ্য, পরিচর্যা ও বিদ্যুৎ বিলসহ মাছ চাষে খরচ আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। সব মিলিয়ে কেজি প্রতি মাছের উৎপাদনে খরচ দাড়ায় ১৬৭-১৭০ টাকায়। কিন্তু বর্তমান বাজারে পাইকারি দামে ১৪০ টাকা কেজিতে মাছ বিক্রি করায় মোটা অংকের লোকসান গুণতে হচ্ছে চাষিদের।

আলীপুর গ্রামের মাছ চাষি আব্দুর রহিম বলেন, ‘এ বছর খরচ হয়েছে অধিক, কিন্তু পাইকারিতে ১৪০ টাকা কেজিতে মাছ বিক্রি করায় উৎপাদন খরচই উঠছে না। এভাবে চলতে থাকলে মাছ চাষ বন্ধ করে দিতে হবে।’

Manual2 Ad Code

একই গ্রামের মাছ চাষি হাবিবুল কবির শুভ বলেন, ‘নায্য মূল্য না পেলেও বাধ্য হয়েই কম মূল্যে বিক্রি করে দিচ্ছি। কেননা পুকুরে মাছ স্টক রাখলেই চড়া মূল্যে খাবার কিনে খাওয়াতে হবে।’

টেংরাটিলা গ্রামের চাষি শের মাহমুদ ভূঁইয়া বলেন, ‘খাদ্যের দাম অনেক চড়া। বর্তমান বাজার দরে মাছ বিক্রিতে আমাদের লোকসান ছাড়া কোনো উপায় নেই।’

Manual6 Ad Code

বৈঠাখাই গ্রামের মাছ বিক্রেতা দুলাল মিয়া বলেন, ‘বাজারে এখন বিলের দেশি মাছের চাহিদা থাকায় চাষের তেলাপিয়ার চাহিদা কম। তাছাড়া সব বাজারেই তেলাপিয়ার সরবরাহ এখন বেশি। সারাদিন বসে থাকলেও আগের মতো তেলাপিয়া মাছ বেচাকেনা হচ্ছেনা।’

এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. হানিফ উদ্দিন জানান, “প্রান্তিক মাছ চাষিরা ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার জন্য মার্কেটিং সিস্টেম অনেকাংশে দায়ী। বিশেষ করে অধিকাংশ খামারিরা টার্গেট করে মাছ চাষ করে। ফলে একই সময়ে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়ে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই দাম কমে যায়। এজন্য মার্কেটিং সিস্টেমকে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। এছাড়া খাবারের দাম, ঔষুধের দামসহ মাছ চাষের আনুষাঙ্গিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা আশানুরূপ লাভবান হতে পারছেন না।”

Manual3 Ad Code

Latif Travels
Metropolitan University

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন

📞 মোবাইল: +8801712540420

✉️ ইমেইল: pavel.syl@gmail.com